দৃশ্যকল্প-১ এ শিক্ষকের বক্তব্যে পদের ব্যস্ত্যর্থ ও জাত্যর্থ নির্দেশিত হয়েছে।। কোনো একটি পদের দুটি দিক থাকে। একটি হলো পদের সংখ্যা বা 1 পরিমাণগত দিক এবং অন্যটি হলো পদের গুণগত দিক। পদের সংখ্যাগত দিককে বলা হয় বাস্ত্যর্থ। অর্থাৎ কোনো একটি পদ একই অর্থে যে বস্তু বা বস্তুসমূহের ওপর প্রযোজ্য হয় তাকে ওই পদের ব্যক্ত্যর্থ বলে। তাই ব্যক্তার্থ হলো একটি পদের ব্যাপ্তি বা বিস্তৃতির দিক। যেমন- 'মানুষ' পদের ব্যাপ্তি হলো অতীত, বর্তমান, ভবিষ্যতের সব মানুষ। তাই মানুষ পদের ব্যস্তার্থ হলো সকল মানুষ। আর পদের গুণগত দিককে বলা হয় জাত্যর্থ। অর্থাৎ কোনো একটি পদ যে আবশ্যিক বা সাধারণ গুণাবলি প্রকাশ করে, তাকে ওই পদের জাত্যর্থ বলে। তাই জাত্যর্থ হলো কোনো পদের অপরিহার্য ও সাধারণ গুণাবলি। যেমন- 'মানুষ' পদের অপরিহার্য বা আবশ্যিক গুণাবলি হলো- জীববৃত্তি + বুদ্ধিবৃত্তি। তাই মানুষ পদের জাত্যর্থ হলো 'জীববৃত্তি' ও 'বুদ্ধিবৃত্তি'। উদ্দীপকের দৃশ্যকল্প-১ এ শিক্ষক তার বক্তব্যে কোনো জাতি সম্পর্কে জানতে যেমন তার সংখ্যার দিক জাঁনার প্রয়োজন, তেমনি সে জাতি বা শ্রেণির সাধারণ বা আবশ্যিক গুণের দিকটিও জানা প্রয়োজন বলে উল্লেখ করেছেন। এখানে তিনি পদের সংখ্যাগত ও গুণগত এই দুটি দিকের উল্লেখ করেছেন। আর পদের সংখ্যাগত ও গুণগত দিক দ্বারা ব্যক্ত্যর্থ ও জাতার্থকে বোঝায়। সুতরাং শিক্ষকের বক্তব্যের মাধ্যমে পদের ব্যস্ত্যর্থ ও জাত্যর্থ নির্দেশিত হয়েছে।