উদ্দীপকে উল্লিখিত পদের ব্যক্তার্থ ও জাত্যর্থের হ্রাস-বৃদ্ধির সম্পর্ক যথার্থ নয়। কারণ নিম্নরূপ:
প্রথমত: এই বিপরীতমুখী হ্রাস-বৃদ্ধির নিয়মটি কোনো একক পদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। কোনো পদের ব্যক্ত্যর্থ বা জাত্যর্থ বাড়িয়ে দিলে পদটি আর সে পদ থাকে না। একটি নতুন পদের সৃষ্টি হয়। ফলে নিয়মটি সেখানে আর খাটে না।
দ্বিতীয়ত: কোনো কোনো ক্ষেত্রে পদের ব্যক্ত্যর্থকে বাড়তে দেখা যায়। কিন্তু জাত্যর্থ অপরিবর্তিত থাকে। যেমন একটি দ্বীপের আবির্ভাব ঘটার পর দ্বীপ পদের ব্যক্ত্যর্থ বেড়ে যায়, কিন্তু জাত্যর্থ কমে না। আবার, কোনো কোনো, ক্ষেত্রে পদের জাত্যর্থকে বাড়তে দেখা যায়। কিন্তু ব্যক্ত্যর্থ অপরিবর্তিত থাকে। যেমন, গবেষণার ফলে সোনা ধাতুর একটি নতুন গুণ আবিষ্কৃত হতে পারে, কিন্তু তাতে সোনার ব্যক্ত্যর্থের কোনো পরিবর্তন হয় না।
তৃতীয়ত: ব্যক্ত্যর্থ ও জাত্যর্থের মধ্যকার হ্রাস-বৃদ্ধি সবক্ষেত্রে সমানুপাতিক নয়। অর্থাৎ এদের একটি যে, পরিমাণ বাড়ে বা কমে অন্যটি সবসময় সে পরিমাণে কমে বা বাড়ে না। যেমন- মানুষের জাত্যর্থের সাথে 'সততা' গুণটি যুক্ত করলে মানুষের সংখ্যা, যে হারে কমে 'অন্ধত্ব' গুণটি যুক্ত করলে তার সংখ্যা সেই তুলনায় অনেক বেশি হারে কমে। সুতরাং বলা যায় যে, পদের ব্যস্ত্যর্থ ও জাত্যর্থের হ্রাস-বৃদ্ধির সম্পর্ক যথার্থ নয়।