দৃশ্যকল্প-১ হলো 'কিছু মানুষ হয় সাহসী' যা একটি যুক্তিবাক্য এবং দৃশ্যকল্প-৩ হলো-
'অসহায়কে সাহায্য কর', যা একটি ব্যাকরণের বাক্য। পার্থক্য নিম্নরূপ: প্রথমত, দুটি পদের মধ্যে কোনো সম্পর্কের বর্ণনাকে যুক্তিবাক্য বলে। অন্যদিকে, যে শব্দ বা শব্দসমূহের মাধ্যমে একটি সম্পূর্ণ' মনের ভাব প্রকাশ করা যায় তাকে বাক্য বলে। দ্বিতীয়ত, যুক্তিবাক্যে তিনটি অংশ থাকে, যথা- উদ্দেশ্য; সংযোজক ও বিধেয়। কিন্তু বাক্যের দুটি অংশ, যথা- উদ্দেশ্য ও বিধেয়। সংযোজক চিহ্নকে ব্যাকরণে বিধেয়ের অংশ বলে ধরা হয়। তৃতীয়ত, যুক্তিবাক্যে প্রথমে উদ্দেশ্য, মাঝখানে সংযোজক এবং শেষে, বিধেয় থাকে। কিন্তু বাক্যে উদ্দেশ্য ও বিধেয়ের অবস্থান সম্পর্কে তেমন ধরাবাঁধা নিয়ম নেই। চতুর্থত, যুক্তিবাক্যের সংযোজক সবসময়ই বর্তমান কালসূচক হয়। কিন্তু বাক্যের ক্রিয়া যেকোনো কালসুচক হতে পারে। পঞ্চমত, যুক্তিবাক্যের মাধ্যমে শুধু মনের চিন্তা প্রকাশিত হয়। কিন্তু বাক্যের মাধ্যমে আবেগ, ইচ্ছা, অনুভূতি, আদেশ, নিষেধ প্রকাশিত হয়। ষষ্ঠত, সকল যুক্তিবাক্যই বাক্য। কিন্তু সকল বাক্যই যুক্তিবাক্য নয়। সুতরাং বলা যায়, যুক্তিবাক্য ও বাক্যের মধ্যে অনেক পার্থক্য রয়েছে।