উদ্দীপকের ছক-১ এর মাধ্যমে বাক্য নির্দেশিত হয়েছে এবং ছক-২ এর মাধ্যমে যুক্তিবাক্য নির্দেশিত হয়েছে। নিচে পাঠ্যপুস্তকের আলোকে বাক্য ও যুক্তিবাক্যের মধ্যে পার্থক্য দেখানো হলো-
১. যে শব্দ বা শব্দসমূহের মাধ্যমে একটি সম্পূর্ণ মনের ভাব প্রকাশ করা যায় তাকে বাক্য বলে। অন্যদিকে, দুটি পদের মধ্যে কোনো সম্পর্কের বর্ণনাকে যুক্তিবাক্য বলে।
২. বাক্যের দুটি অংশ। যথা- উদ্দেশ্য ও বিধেয়। সংযোজক চিহ্নকে ব্যাকরণে বিধেয়ের অংশ বলে ধরা হয়। কিন্তু যুক্তিবাক্যে তিনটি অংশ থাকে। যথা- উদ্দেশ্য, সংযোজক ও বিধেয়।
৩. বাক্যে উদ্দেশ্য ও বিধেয়ের অবস্থান সম্পর্কে তেমন ধরাবাঁধা নিয়ম নেই। কিন্তু যুক্তিবাক্যে প্রথমে উদ্দেশ্য, 'মাঝখানে সংযোজক এবং শেষে বিধেয় থাকে।
৪. বাক্যের ক্রিয়া যেকোনো কালসূচক হতে পারে। কিন্তু যুক্তিবাক্যের সংযোজক সবসময়ই বর্তমান কালসূচক হয়।
৫. বাক্যের মাধ্যমে আবেগ, ইচ্ছা, অনুভূতি, আদেশ, নিষেধ প্রকাশিত হয়। কিন্তু যুক্তিবাক্যের মাধ্যমে শুধু মনের চিন্তা প্রকাশিত হয়।
৬. সকল বাক্যই যুক্তিবাক্য নয়। কিন্তু সকল যুক্তিবাক্যই বাক্য। সুতরাং বলা যায়, বাক্য ও যুক্তিবাক্যের মধ্যে অনেক পার্থক্য রয়েছে।