উদ্দীপকের ছক-২ দ্বারা গুণবাচক পদ এবং ছক-৩ দ্বারা বস্তুবাচক পদকে নির্দেশ করে। নিচে পদসমূহের তুলনামূলক বিশ্লেষণ করা হলো-
যেসব পদ কোনো বিষয় বা বস্তুর নাম না বুঝিয়ে স্বতন্ত্রভাবে তাদের, গুণ নির্দেশ করে তাকে গুণবাচক পদ বলে। আর যে পদ নির্দেশিত বিষয় বা বস্তু দৃশ্যমান বা ইন্দ্রিয়ের মাধ্যমে যার সংবেদন পাওয়া যায় তাকে বস্তুবাচক পদ বলে।
বস্তুবাচক পদ দ্বারা এমন বস্তু বা দ্রব্যের নাম বোঝায় যা ধরা বা দেখা যায়। অন্যদিকে গুণবাচক পদ কোনো ব্যক্তি বা বস্তুর গুণ, অবস্থা, বা ভাবের নাম বোঝায়। গুণবাচক হওয়ায় স্পর্শ করা যায় না।
বস্তুবাচক পদ হলো একটি নাম যা একটি বস্তুর ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়। যেমন- মানুষ, গরু, বই, খাতা ইত্যাদি পদগুলো বস্তুবাচক পদ। অন্যদিকে, গুণবাচক পদ হলো একটি নাম, যা একটি বস্তুর কোনো গুণের নির্দেশ প্রদানে ব্যবহৃত হয়। যেমন- সততা, সাদার, মিষ্টত্ব ইত্যাদি পদগুলো গুণবাচক পদ।
বস্তুবাচক পদ দ্বারা মূর্ত বিষয়বস্তুকে নির্দেশ করা হয় বলে বস্তুবাচক পদকে মূর্ত পদও বলা হয়। আর গুণবাচক পদ হয় বিমূর্ত।