উদ্দীপকে দুই বন্ধুর বক্তব্যে ব্যবহৃত বাক্য গুলো যথাক্রমে সার্বিক সদর্থক এবং বিশেষ নঞর্থক যুক্তিবাক্য। এ বাক্যগুলোতে ব্যবহৃত পদগুলোর ব্যাপত্য নিয়মসহ বিশ্লেষণ করা হলো-
ব্যাপ্যতা অর্থ প্রসারতা বা ব্যাপকতা। ব্যাপ্যতা হলো বাক্যে ব্যবহৃত পদের ব্যক্ত্যর্থের পরিমাণ। কোনো বাক্যে ব্যবহৃত উদ্দেশ্য ও বিধেয় পদ পরিমাণগতভাবে সেই বাক্যে যতটুকু বিস্তার লাভ করে তাকেই পদের ব্যাপ্যতা বলে। যুক্তিবিদ্যায় পদের ব্যাপ্যতার চারটি নিয়ম রয়েছে; সেগুলো হলো-
১. সার্বিক যুক্তিবাক্যের উদ্দেশ্য পদ ব্যাপ্য।
২. বিশেষ যুক্তিবাক্যের উদ্দেশ্য পদ অব্যাপ্য।
৩. নঞর্থক যুক্তিবাক্যের বিধেয় পদ ব্যাপ্য।
৪. সদর্থক যুক্তিবাক্যের বিধেয় পদ অব্যাপ্য।
উদ্দীপকে উল্লিখিত আবীরের বক্তব্যটি একটি সার্বিক সদর্থক যুক্তিবাক্য। ব্যাপ্যতার নিয়ম অনুসারে সার্বিক যুক্তিবাক্য হিসেবে এর উদ্দেশ্য পদ ব্যাপ্য কিন্তু সদর্থক যুক্তিবাক্য হিসেরে এর বিধেয় পদ অব্যাপ্য। অর্থাৎ আবীরের বক্তব্যে উল্লিখিত যুক্তিবাক্যটির উদ্দেশ্য পদ ব্যাপ্য; এবং বিধেয় পদ অব্যাপ্য। অপরদিকে, হাসিবের বক্তব্যটি একটি বিশেষ নঞর্থক যুক্তিবাক্য। ব্যাপ্যতার নিয়ম অনুসারে বিশেষ যুক্তিবাক্য হিসেবে এর উদ্দেশ্য পদ অব্যাপ্য এবং নঞর্থক যুক্তিবাক্য হিসেবে এর বিধেয় পদ ব্যাপ্য। অর্থাৎ হাসিবের বক্তব্যে উল্লিখিত যুক্তিবাক্যটির উদ্দেশ্য পদ অব্যাপ্য এবং বিধেয় পদ ব্যাপ্য।
পরিশেষে বলা যায়, উদ্দীপকে দুই বন্ধুর রক্তব্যে ব্যবহৃত পদগুলোর মধ্যে আবীরের বক্তব্যে ব্যবহৃত যুক্তিবাক্যের উদ্দেশ্য পদ ব্যাপ্য এবং বিধেয় পদ অব্যাপ্য এবং হাসিবের বক্তব্যে ব্যবহৃত যুক্তিবাক্যের উদ্দেশ্য পদ অব্যাপ্য এবং বিধেয় পদ ব্যাপ্য।