উদ্দীপকে উল্লিখিত চিত্র-১ এবং চিত্র-২ এর মধ্যে পারস্পরিক সম্পর্ক ব্যক্ত্যর্থ ও জাত্যর্থের হ্রাস-বৃদ্ধির আলোকে বিশ্লেষণ করা হলো- ব্য্যর্থ ও জাত্যর্থের সম্পর্ককে চারভাগে প্রকাশ করা যায়। যথা-
১. ব্যক্ত্যর্থ বাড়লে জাত্যর্থ কমে। উদ্দীপকে মিষ্টি লাল পেঁপের সাথে যদি সকল পেঁপেকে যুক্ত করা হয় তবে এর ব্যক্ত্যর্থ বেড়ে হয় 'সকল পেঁপে।' কিন্তু এতে করে মিষ্টি লাল পেঁপের জাত্যর্থ মিষ্টিত্ব পেঁপেত্ন + রং লালত্ব থেকে মিষ্টিত্ব ও রং লালত্ব হ্রাস পেয়ে হয় কেবল পেঁপেত্ন।
২. ব্যক্ত্যর্থ কমলে জাত্যর্থ বাড়ে। উদ্দীপকে পেঁপে শ্রেণি থেকে সকল অমিষ্টি ও অলাল পেঁপেকে বাদ দিলে এর ব্যক্ত্যর্থ কমে দাঁড়ায় মিষ্টি- লাল পেঁপে। অপরদিকে, পেঁপে শ্রেণির জাত্যর্থ বৃদ্ধি পেয়ে হয় মিষ্টিত্ব + পেঁপেত্ব + রং লালত্ব। এতে প্রমাণ হলো যে, ব্যক্ত্যর্থ কমলে জাত্যর্থ বাড়ে।
৩. জাত্যর্থ বাড়লে ব্যক্ত্যর্থ কমে। পেঁপে পদের জাত্যর্থ হলো পেঁপেত্ন। এর সাথে মিষ্টিত্ব ও রং লালত্ব যোগ করলে জাত্যর্থ দাঁড়াবে মিষ্টিত্ব + পেঁপেত্ন + রং লালত্ব। অন্যদিকে, পেঁপে পদের ব্যক্ত্যর্থ থেকে অমিষ্টি ও অলাল পেঁপে বাদ যাওয়াতে ব্য্যর্থ কমে গিয়ে হবে মিষ্টি লাল পেঁপে।
৪. জাত্যর্থ কমলে ব্যক্ত্যর্থ বাড়ে। উদ্দীপকে মিষ্টি লাল পেঁপের জাত্যর্থ থেকে মিষ্টিত্ব ও রং লালত্ব বাদ দিলে জাত্যর্থ কমে গিয়ে হয় পেঁপেত্ন। কিন্তু, জাত্যর্থ কমে যাওয়ায় ব্যস্তুর্থ বৃদ্ধি পেয়ে হবে 'সকল পেঁপে' কারণ পেঁপেত্ব গুণটি সকল পেঁপেতেই বিদ্যমান।
সুতরাং উপরের আলোচনা থেকে আমরা বলতে পারি, ব্যক্ত্যর্থ ও জাত্যর্থের মধ্যে বিপরীতমুখী হ্রাস-বৃদ্ধির সম্পর্ক বিদ্যমান।