চিত্র-২ এর খালি ঘরে বসবে সংযোজক। চিত্র-১ দ্বারা অবধারণ ও চিত্র-২ দ্বারা যুক্তিবাক্য নির্দেশ করা হয়েছে যাদের মধ্যে যথেষ্ট পার্থক্য বিদ্যমান।অবধারণ হচ্ছে দুটি ধারণার মানসিক সংযুক্তিকরণ। অন্যদিকে যুক্তিবাক্য অবধারণের মাধ্যমে দুটি পদের মধ্যে সংযুক্তি বিধান করে। অবধারণ চিন্তার সম্পূর্ণ রূপ প্রকাশ করে না বলে সত্য-মিথ্যার প্রশ্ন ওঠেনা কিন্তু যুক্তিবাক্য বিবৃতিমূলক বলে সত্য-মিথ্যা হতে পারে। অবধারণের উপাদান হলো ধারণা আর যুক্তিবাক্যের উপাদান হলো পদ। অবধারণ হচ্ছে একটি মানসিক প্রক্রিয়া। পক্ষান্তরে যুক্তিবাক্য একটি মূর্ত প্রক্রিয়া। অবধারণ চিন্তার প্রাথমিক স্তর। আর যুক্তিবাক্য চিন্তার পরিণত স্তর। অবধারণ গঠনের নির্দিষ্ট কোনো নিয়ম নেই। কিন্তু যুক্তিবাক্য গঠিত হয় বিধিবদ্ধ নিয়মানুসারে।উদ্দীপকের চিত্র-২ এর খালি ঘরে বসবে সংযোজক। কারণ যে শব্দটি একটি যুক্তিবাক্যে উদ্দেশ্য ও বিধেয়ের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করে তাকে সংযোজক বলে। একটি যুক্তিবাক্য গঠন করতে উদ্দেশ্য ও বিধেয়ের মধ্যে একটি সংযোজক অবশ্যই থাকতে হবে। যেহেতু চিত্র-২ এ যুক্তিবাক্যের গঠন দেখানো হয়েছে সেহেতু খালি ঘরে সংযোজক বসবে। অন্যদিকে দুটি ধারণাকে যখন মনে মনে তুলনা করে তাদের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করা হয় তখন তাকে অবধারণ বলে। চিত্র-১ এ যেহেতু দুটি ধারণাকে যুক্ত করা হয়েছে সেহেতু এটি অবধারণ। এই অবধারণ হচ্ছে মানসিক চিন্তা এবং এর ভাষায় প্রকাশিত রূপ হচ্ছে যুক্তিবাক্য।পরিশেষে বলা যায়, অবধারণ ও যুক্তিবাক্যের মাঝে কতিপয় সুনির্দিষ্ট পার্থক্য রয়েছে।