উদ্দীপকে নাহিদের ভাবনা হচ্ছে বিশেষ সদর্থক যুক্তিবাক্য এবং লাবীবের বক্তব্য সার্বিক সদর্থক যুক্তিবাক্য।
যে সকল যুক্তিবাক্যে বিধেয় পদকে উদ্দেশ্য পদের আংশিক ব্যক্ত্যর্থ সম্পর্কে স্বীকার করা হয় তাকে বিশেষ সদর্থক যুক্তিবাক্য বলে। যেমন- 'কিছু দার্শনিক হন কবি।' এখানে, বিধেয় 'কবি' পদকে উদ্দেশ্য 'দার্শনিক' পদের আংশিক ব্যক্ত্যর্থ সম্পর্কে স্বীকার করা হয়েছে।
আবার, যেসকল যুক্তিবাক্যে বিধেয় পদকে উদ্দেশ্য পদের সমগ্র ব্যক্ত্যর্থ সম্পর্কে স্বীকার করা হয় তাকে সার্বিক সদর্থক যুক্তিবাক্য বলে। যেমন- 'সকল মানুষ হয় মরণশীল।' এখানে, বিধেয় 'মরণশীল' পদটিকে উদ্দেশ্য 'মানুষ' পদের সমগ্র ব্যক্ত্যর্থ সম্পর্কে স্বীকার করে নেওয়া হয়েছে।
উদ্দীপকে, নাহিদের ভাবনা হলো- কিছু ফুল খুবই সুন্দর। এর যৌক্তিক রূপ হলো- 'কিছু ফুল হয় খুব সুন্দর।' যা একটি বিশেষ সদর্থক যুক্তিবাক্য। আবার, লাবীবের বক্তব্য হলো- আসলে সব ফুলই দেখতে সুন্দর। এর যৌক্তিক রূপ হলো 'সব ফুল হয় সুন্দর' যা একটি সার্বিক সদর্থক যুক্তিবাক্য।
সুতরাং, নাহিদ ও লাবীবের বক্তব্য গুণগত দিক থেকে উভয়ই সদর্থক। কিন্তু, এদের পার্থক্য হলো পরিমাণের দিক থেকে। নাহিদের বক্তব্য হলো বিশেষ যুক্তিবাক্য অপরদিকে, লাবীবের বক্তব্য সার্বিক যুক্তিবাক্য।