উদ্দীপকের দৃশ্যকল্প-২-এর দাগ দেওয়া পদটি হলো একটি স্বকীয় নামবাচক পদ। কোনো শব্দ বা সমষ্টি কোনো বিষয় বা বস্তুর চিহ্নরূপে ব্যবহৃত হলে সে শব্দ বা শব্দ সমষ্টিকে নাম বলে। এ নামগুলো কখনো নির্দিষ্ট অর্থে কখনো অনির্দিষ্ট অর্থে ব্যবহৃত হয়। এ দিক থেকে যে বিশিষ্ট পদ কোনো অর্থ প্রকাশ করে না, তাকে অর্থহীন বিশিষ্ট পদ বলে। এ অর্থহীন বিশিষ্ট পদগুলোই স্বকীয় নামবাচক পদ। অর্থাৎ কোনো ব্যক্তি, স্থান, বস্তু প্রাণীকে চিহ্নিত করার জন্য যে সাংকেতিক শব্দ রা ভাষাগত, প্রতীক ব্যবহার করা হয় তাকে স্বকীয় নামবাচক পদ বলে। স্বকীয় নামবচক পদ জাত্যর্থক না অজাত্যর্থক তা নিয়ে যুক্তিবিদদের মধ্যে মতবিরোধ রয়েছে। যুক্তিবিদ মিল মনে করেন, স্বকীয় নামবাচক পদগুলো অজাত্যর্থক। যে বিশিষ্ট নামটি কোনো ব্যক্তি, বস্তু বা স্থানকে চিহ্নিত করে তা কেবল উক্ত ব্যক্তি, বস্তু বা স্থানের ব্যক্ত্যর্থই প্রকাশ করে। কোনো গুণ বা জাত্যর্থ নির্দেশ করে না। স্বকীয় নামবাচক পদের কেবল ব্যক্ত্যর্থ আছে জাত্যর্থ নেই, তাই স্বকীয় নামবাচক পদ অজাত্যর্থক; কিন্তু যুক্তিবিদ জেভন্স মনে করেন। স্বকীয় নামবাচক পদগুলো জাত্যর্থক, তার মতে, স্বকীয় নামের শুধু ব্যক্ত্যর্থ নেই জাত্যর্থ আছে। কারণ এটা শুধু কোনো বিশেষ ব্যক্তি বা বস্তু বা স্থানকেই নির্দেশ করে। তাই স্বকীয় নামবাচক পদ জাত্যর্থক। তবে স্বকীয় নামের বিশেষ অর্থ থাকলেও তা অজাত্যর্থক; কারণ পদের অর্থ আর তার জাত্যর্থ এক' কথা নয়। তাই স্বকীয় নামবচক পদ অজাত্যর্থক। উদ্দীপকের দৃশ্যকল্প-২ এ সানজিদা হয় সফল উদ্যোক্তা। এখানে, 'সানজিদা' একজন ব্যক্তি বিশেষকে বুঝানো হয়েছে তাই। উদ্দীপকের উল্লিখিত সানজিদা পদটি একটি অজাত্যর্থক পদ।