উদ্দীপকের ধারণা-১ এর মাধ্যমে সার্বিক সদর্থক যুক্তিবাক্য এবং ধারণা-৩ এর মাধ্যমে বিশেষ সদর্থক যুক্তিবাক্য নির্দেশিত হয়েছে। নিচে এদের পার্থক্য তুলে ধরা হলো-
যুক্তিবাক্যকে গুণ ও পরিমাণের যৌথ নীতি অনুযায়ী চার ভাগে ভাগ করা যায়, যার মধ্যে একটি হলো সার্বিক সদর্থক যুক্তিবাক্য। এই প্রকার যুক্তিবাক্য পরিমাণের দিক থেকে সার্বিক এবং গুণের দিক থেকে সদর্থক। যে যুক্তিবাক্যের বিধেয় পদটি উদ্দেশ্য পদের সমগ্র ব্যক্ত্যর্থকে স্বীকার করে তাকে সার্বিক সদর্থক যুক্তিবাক্য বলে। উদ্দীপকের ধারণা-১ এর যুক্তিবাক্যটি হলো- সকল কোকিল হয় কালো। এখানে যুক্তিবাক্যটির বিধেয় পদ কালো উদ্দেশ্য পদ কোকিল-এর সমগ্র ব্যক্ত্যর্থকে স্বীকার করেছে।
তেমনি উদ্দীপকের ধারণা- ১ এর মাধ্যমে সার্বিক সদর্থক যুক্তিবাক্য নির্দেশিত হয়েছে। অপরদিকে, গুণ ও পরিমাণের যৌথ নীতি অনুযায়ী যুক্তিবাক্যকে চার ভাগে ভাগ করা যায়, যার মধ্যে একটি হলো বিশেষ সদর্থক যুক্তিবাক্য। যে যুক্তিবাক্যের বিধেয় পদটি উদ্দেশ্য পদের আংশিক ব্যক্ত্যর্থকে স্বীকার করে তাকে বিশেষ সদর্থক যুক্তিবাক্য বলে। উদ্দীপকের ধারণা-৩ এর যুক্তিবাক্যটি হলো- কিছু ফুল হয় সাদা। এখানে যুক্তিবাক্যের বিধেয় পদটি সাদা উদ্দেশ্য পদ ফুল এর আংশিক ব্যক্ত্যর্থকে স্বীকার করেছে। তাই বলা যায় যে, উদ্দীপকের ধারণা-৩ এর মাধ্যমে বিশেষ সদর্থক যুক্তিবাক্য নির্দেশিত হয়েছে।