উদ্দীপকের 'চিত্র-১' এর মাধ্যমে পদের ব্যক্ত্যর্থ এবং 'চিত্র-২' এর মাধ্যমে পদের জাত্যর্থ নির্দেশিত হয়েছে। আর পদের ব্যক্ত্যর্থ ও জাত্যর্থের মধ্যে বিপরীতমুখী সম্পর্ক বিদ্যমান রয়েছে।এ সম্পর্ক সকল ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।বিশ্লেষণ করা হলো-একটি পদের দুটি দিক থাকে। যথা- সংখ্যা বা পরিমাণগত দিক এবং গুণগত দিক। পদের সংখ্যাগত দিককে বলা হয় ব্যক্ত্যর্থ। অর্থাৎ, কোনো একটি পদ একই অর্থে যে বস্তু বা বস্তুসমূহের ওপর প্রযোজ্য হয় তাকে ঐ পদের ব্যক্ত্যর্থ বলে। আর কোনো একটি পদ যে অপরিহার্য বা আবশ্যিক গুণ বা গুণাবলি প্রকাশ করে তাকে ঐ পদের জাত্যর্থ বলে। 'চিত্র-১' এ প্রতি ক্ষেত্রে পদের সংখ্যাগত দিক যেমন- সকল আম, সকল মিষ্টি আম, সকল পাকা মিষ্টি আম উপস্থাপন করা হয়েছে। তাই 'চিত্র-১' দ্বারা পদের ব্যক্ত্যর্থ নির্দেশিত হয়েছে। আর 'চিত্র-২' এর প্রতি ক্ষেত্রে পদের গুণ অর্থাৎ, আমত্ব + মিন্টত্ব + পাকাত্ব, আমত্ব+ মিষ্টত্ব, আমত্ব ইত্যাদি উপস্থাপন করা হয়েছে।আবার 'চিত্র-২' এর মাধ্যমে পদের জাত্যর্থ নির্দেশিত হয়েছে। পদের ব্যক্ত্যর্থ ও জাত্যর্থের মধ্যে গভীর সম্পর্ক বিদ্যমান। তবে এ সম্পর্ক বিপরীতমুখী। অর্থাৎ, যখন কোনো পদের ব্যক্ত্যর্থ বেড়ে যায় তখন পদের জাতার্থ কমে যায়; আবার যখন কোনো পদের জাত্যর্থ বেড়ে যায় তখন পদের ব্যক্ত্যর্থ কমে যায়। তবে এ সম্পর্ক সকল ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হয় না। যেসব পদকে ক্রমিকভাবে সাজানো যায় না সেসব ক্ষেত্রে এ সম্পর্ক প্রযোজ্য নয়। নির্দিষ্ট ব্যক্ত্যর্থবিশিষ্ট একক পদের ক্ষেত্রে এটি প্রযোজ্য নয়। এছাড়া আরও কিছু ক্ষেত্রে এ নিয়মটি প্রযোজ্য নয়।