চিত্র -১ দ্বারা ব্যক্ত্যর্থ এবং চিত্র -২ দ্বারা জাত্যর্থের দিকটি প্রতিফলিত হয়েছে । পদের ব্যক্ত্যর্থ ও জাত্যর্থের মধ্যে বিপরীতমুখী সম্পর্ক বিদ্যমান। নিচে তা আলোচনা করা হলো- সাধারণত প্রতিটি পদের দুটি দিক থাকে । একটি পদের সংখ্যা বা পরিমাণগত দিক এবং অন্যটি গুণগত দিক । পদের সংখ্যা বা পরিমাণগত দিক হলো ব্যস্ত্যর্থ । চিত্র -১ এ মানুষ, শিক্ষিত মানুষ, ও সৎ শিক্ষিত মানুষ পদের মাধ্যমে ব্যক্ত্যর্থ প্রকাশ পেয়েছে । অন্যদিকে , একটি পদ যেআবশ্যিক গুণ বা গুণাবলিকে প্রকাশ করে তাকে ঐ পদের জাত্যর্থ বার চিত্র -২ এ উল্লেখিত সততা , শিক্ষা ও মনুষ্যত্ব গুণের মাধ্যমে পরে জাত্যর্থ প্রকাশ পেয়েছে । সাধারণত যখন কোনো পদের ব্যক্ত্যর্থ বাড়ে তরু পদটির জাত্যর্থ কমে আবার পদের ব্যক্ত্যর্থ কমলে তার জাত্যর্থ বাড়ে । চিত্র -১ এ উল্লেখিত মানুষ পদটির ব্যক্ত্যর্থ হিসেবে চিত্র -২ এ জাত্যর্থ ' মনুষ্যত্ব ' গুণটি উল্লেখ করা হয়েছে । পরবর্তী পর্যায়ে ব্যক্ত্যর্থ কমে চিত্র -১ এ ' সৎ শিক্ষিত মানুষ ' পদের ব্যক্ত্যর্থ উল্লেখ করা হলেও বিপরীত সম্পর্কের কারণে চিত্র -২ এ জাত্যৰ্থ বৃদ্ধি পেয়ে ' সততা + শিক্ষা + মনুষ্যত্ব ' উল্লেখ করা হয়েছে । এভাবে প্রতিটি ধাপে পদের ব্যক্ত্যর্থ হ্রাস পাওয়ার বিপরীতে জাত্যৰ্থ বৃদ্ধি পেয়েছে । কিংবা জাত্যর্থ হ্রাস পাওয়ার বিপরীতে ব্যক্তার্থ বৃদ্ধি পেয়েছে । তাই বলা যায় যে , পদের ব্যক্ত্যর্থ ও জাত্যর্থের মধ্যে বিপরীতক্রমে হ্রাস বৃদ্ধির সম্পর্ক বিদ্যমান ।