উদ্দীপকের কবির ও তার বাবার বক্তব্যে ব্যাপ্যতার দিক থেকে উদ্দেশ্য ও বিধেয় উভয় দিক থেকে পার্থক্য বিদ্যমান। যুক্তিবাক্যে পদের ব্যাপ্যতার নিয়মানুযায়ী এই পার্থক্য পরিলক্ষিত হয়।নিচে এর কারণ বিশ্লেষণ করা হলো-কবিরের বক্তব্যের মাধ্যমে বিশেষ সদর্থক বা যুক্তিবাক্য নির্দেশিত হয়েছে। যে যুক্তিবাক্যের বিধেয় পদটি উদ্দেশ্য পদের আংশিক ব্যক্ত্যর্থকে স্বীকার করে তাকে বিশেষ সদর্থক যুক্তিবাক্য বলে। উদ্দীপকে কবিরের বক্তব্য হলো, 'কিছু গ্রামবাসী হয় অসহায় মানুষ'। এখানে বিধেয় পদটি উদ্দেশ্য পদের আংশিক ব্যক্ত্যর্থ স্বীকার করেছে বলে এটি বিশেষ সদর্থক বা I- যুক্তিবাক্য। আর ব্যপ্যতার নিয়মানুযায়ী I-যুক্তিবাক্যের কোনো পদ ব্যাপ্য নয়। এরূপ যুক্তিবাক্য বিশেষ হওয়ার কারণে উদ্দেশ্য পদ অব্যাপ্য এবং সদর্থক হবার কারণে বিধেয় পদ অব্যাপ্য হয় ।অপরদিকে, উদ্দীপকের মিথিলা ও কবিরের বাবার বক্তব্যের মাধ্যমে সার্বিক নঞর্থক যুক্তিবাক্য পাওয়া যায়। যে যুক্তিবাক্যের বিধেয় পদটি উদ্দেশ্য পদের সমগ্র ব্যক্ত্যর্থ অস্বীকার করে তাকে সার্বিক নঞর্থক যুক্তিবাক্য বলে। উদ্দীপকে মিথিলা ও কবিরের বাবার বক্তব্যটি হলো, 'কোনো মানুষ নয় চিরসুখী'। এখানে বিধেয় পদটি উদ্দেশ্য পদের সমগ্র ব্যক্ত্যর্থ অস্বীকার করেছে বলে এটি বিশেষ নঞর্থক যুক্তিবাক্য।উপরিউক্ত আলোচনা থেকে বলা যায় যে, কবির ও তার বাবার বক্তব্যে ব্যাপ্যতার দিক থেকে উদ্দেশ্য ও বিধেয় উভয় দিকের পার্থক্য রয়েছে।