দৃশ্যকল্প-১ সার্বিক সদর্থক ও দৃশ্যকল্প-২ বিশেষ নঞর্থক যুক্তিবাক্যকে নির্দেশ করে।যে যুক্তিবাক্যের বিধেয় পদটি উদ্দেশ্য পদের সমগ্র ব্যক্ত্যর্থকে স্বীকার করে তাকে সার্বিক সদর্থক বা যুক্তিবাক্য বলা হয়। অর্থাৎ A যুক্তিবাক্য গুণের দিক থেকে সদর্থক বা ইতিবাচক এবং পরিমাণের দিক থেকে সার্বিক। দৃশ্যকল্প-১ এ বলা হয়েছে, সকল দার্শনিক হন জ্ঞানী। এখানে বিধেয় পদটি উদ্দেশ্য পদের সমগ্র ব্যক্ত্যর্থকে স্বীকার করেছে। তাই এটি সার্বিক সদর্থক যুক্তিবাক্য। আবার, যে যুক্তিবাক্যের বিধেয় পদটি উদ্দেশ্য পদের আংশিক ব্যক্ত্যর্থকে অস্বীকার করে তাকে বিশেষ নঞর্থক যুক্তিবাক্য বলা হয়। অর্থাৎ O-যুক্তিবাক্য গুণের দিক থেকে নঞর্থক এবং পরিমাণের দিক থেকে বিশেষ। দৃশ্যকল্প-২ এ বর্ণিত, কিছু আম নয় মিষ্টি। এখানে বিধেয় পদটি উদ্দেশ্য পদের আংশিক ব্যক্ত্যর্থকে অস্বীকার করেছে। এ কারণে এটি বিশেষ নঞর্থক বা O-যুক্তিবাক্য। ব্যাপ্যতার নিয়মানুযায়ী, দৃশ্যকল্প-১ এ নির্দেশিত সার্বিক সদর্থক যুক্তিবাক্যের উদ্দেশ্য পদ ব্যাপ্য ও বিধেয় পদ অব্যাপ্য হয়। কিন্তু দৃশ্যকল্প-২ এ নির্দেশিত বিশেষ নঞর্থক যুক্তিবাক্যের উদ্দেশ্য পদ অব্যাপ্য ও বিধেয় পদ ব্যাপ্য হয়।তাই বলা যায়, দৃশ্যকল্প-১ ও ২ এ গুণগত ও পরিমাণগত উভয় দিক থেকেই আলাদা।