উদাহরণ-১ ও উদাহরণ-২ এর যুক্তিবাক্য দুটির ব্যাপ্যতার পার্থক্য বিশ্লেষণ কর।
উত্তর: উদাহরণ-১ ও উদাহরণ-২ যথাক্রমে সার্বিক সদর্থক ও সার্বিক নঞর্থক যুক্তিবাক্যকে নির্দেশ করে।সার্বিক সদর্থক যুক্তিবাক্য বা A বাক্য সার্বিক হওয়ার জন্য এর উদ্দেশ্য পদ ব্যাপ্য এবং সদর্থক হওয়ার জন্য এর বিধেয় পদ অব্যাপ্য। অর্থাৎ A যুক্তিবাক্যের উদ্দেশ্য পদ ব্যাপ্য হলেও বিধেয় পদ অব্যাপ্য। অন্যদিকে সার্বিক নঞর্থক যুক্তিবাক্য বা E বাক্য সার্বিক হওয়ার জন্যে উদ্দেশ্য পদ ব্যাপ্য এবং নঞর্থক বাক্য হওয়ার জন্যে বিধেয় পদও ব্যাপ্য। অর্থাৎ E বাক্যের উভয় পদই ব্যাপ্য। যেমন- উদাহরণ-১ এ বলা হয়েছে "সকল হরিণ হয় তৃণভোজী"। এখানে উদ্দেশ্য পদ 'হরিণ' তার সকল ব্যক্ত্যর্থকে প্রকাশ করেছে। তাই পদটি ব্যাপ্য। বিধেয় পদ 'তৃণভোজী' খন্ডিতভাবে কেবল হরিণের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়েছে। তাই পদটি অব্যাপ্য। অন্যদিকে, উদাহরণ-২ এ বলা হয়েছে- "কোনো কুমির নয় স্তন্যপায়ী"। এখানে উদ্দেশ্যপদ 'কুমির' ও বিধেয়পদ 'স্তন্যপায়ী' উভয়ই তাদের সমগ্র ব্যক্ত্যর্থ রূপে প্রকাশিত হয়েছে। তাই এর উভয় পদই ব্যাপ্য।পরিশেষে বলা যায়, ব্যাপ্যতার দিক থেকে A বাক্যের উদ্দেশ্য পদ ব্যাপ্য ও বিধেয় পদ অব্যাপ্য। কিন্তু E বাক্যের উভয় পদই ব্যাপ্য।
HSC Logic 1st Paper CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক
HSC · Logic 1st Paper · সৃজনশীল
উদাহরণ-১ ও উদাহরণ-২ এর যুক্তিবাক্য দুটির ব্যাপ্যতার পার্থক্য বিশ্লে…
উদ্দীপক
Comilla · 2019
উত্তর
উত্তর
উত্তর
উত্তর