উদ্দীপকের বিষয়ের সাথে ব্যক্ত্যর্থের সম্পর্ক বেশ গভীর- আলোচনা কর।
উত্তর: উদ্দীপকের উল্লিখিত বিষয়টি হলো পদের ব্যাপ্যতা। পদের ব্যাপ্যতার সাথে ব্যক্ত্যর্থের সম্পর্ক বেশ গভীর- উক্তিটি যথার্থ। হয়, সেই বস্তু বা বস্তুসমষ্টির সংখ্যা বা পরিমাণই হলো ওই পদের ব্যক্ত্যর্থ। অর্থাৎ ব্যার্থ হলো পদের সংখ্যা বা পরিমাণের দিক। যেমন- 'মানুষ' পদটি দ্বারা সমগ্র মানুষ শ্রেণির সংখ্যাকে বোঝায়। আবার আমরা যখন বলি 'কিছু ফুল' ফুল শ্রেণির একটি অংশকে নির্দেশ করে। অপরদিকে, কোনো যুক্তিবাক্যে ব্যবহৃত উদ্দেশ্য পদ ও বিধেয় পদ তাদের ব্যক্ত্যর্থগত দিক থেকে ঐ বাক্যে যতটুকু বিস্তৃতি লাভ করে তাকেই পদের ব্যপ্তি বা ব্যাপ্যতা বলে। এক্ষেত্রে পদটি সমগ্র ব্যক্ত্যর্থ নিয়ে ব্যবহৃত হলে তাকে পূর্ণব্যাপ্য বা ব্যাপ্য পদ বলে। যেমন- 'সকল দার্শনিক' আবার পদটি যদি আংশিক ব্যক্ত্যর্থ নিয়ে ব্যবহৃত হয় তাকে আংশিক ব্যাপ্য বা অব্যাপ্য পদ বলে। যেমন- 'কিছু ফুল'। অর্থাৎ ব্যাপ্যতা হলো মূলতঃ ব্যক্ত্যর্থের পরিমাণ। ব্যক্ত্যর্থকে বাদ দিয়ে ব্যাপ্যতা নির্ধারণ করা সম্ভব নয়। যে পদের ব্যক্ত্যর্থ নেই সেই পদ ব্যাপ্য হবে না। ব্যাপ্যতা যেহেতু ব্যক্ত্যর্থের পরিমাণের ওপর নির্ভর করেই নিধারিত হয়, তাই এদের মধ্যে গভীর সম্পর্ক বিদ্যমান। সুতরাং, উদ্দীপকের আলোকে আমরা বলতে পারি, ব্যাপ্যতার সাথে ব্যক্ত্যর্থের সম্পর্ক কেবল গভীর নয় বরং ব্যাপ্যতা নির্ধারণে ব্যক্ত্যর্থ অপরিহার্য।
HSC Logic 1st Paper CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক
HSC · Logic 1st Paper · সৃজনশীল
উদ্দীপকের বিষয়ের সাথে ব্যক্ত্যর্থের সম্পর্ক বেশ গভীর- আলোচনা কর।
Barisal · 2017
উত্তর
উত্তর
উত্তর
উত্তর