উদ্দীপকে কার্যকর ক্রমহ্রাসমান প্রান্তিক উৎপাদন বিধি কৃষিক্ষেত্রে ছাড়াও শিল্প, খনিজ ও মাছ শিকারের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হতে পারে। নিচে তা বিশ্লেষণ করা হলো : অন্যান্য উপাদান স্থির ধরে পরিবর্তনশীল উপাদানের পরিবর্তন সাপেক্ষে মোট উৎপাদনের যে পরিবর্তন তাই হচ্ছে প্রান্তিক উৎপাদন। অর্থাৎ উৎপাদনের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত এক একক উপকরণ নিয়োগের ফলে যে অতিরিক্ত উৎপাদন পাওয়া যায় তাই প্রান্তিক উৎপাদন। উদ্দীপকের প্রান্তিক উৎপাদন সূচিতে দেখা যায়, একজন শ্রমিক নিয়োগের ফলে প্রান্তিক উৎপাদন ৫০ মণ। পরবর্তীতে ২ জন, ৩ জন ও ৪ জন শ্রমিক নিয়োগের ফলে প্রান্তিক উৎপাদন হয় যথাক্রমে ৪০, ৩০ ও ২০ মণ। যেখানে ক্রামহ্রাসমান প্রান্তিক উৎপাদন বৃদ্ধি কার্যকর হয়েছে। ক্রমহ্রাসমান উৎপাদনী কৃষি ক্ষেত্রে বেশি কার্যকর। এছাড়া শিল্প ক্ষেত্রে কিছুটা কার্যকর। শিল্প ক্ষেত্রে উৎপাদন বাড়ানোর লক্ষ্য অধিক শ্রম ও মূলধন বিনিয়োগ করলে প্রথমদিকে ব্যয় বৃদ্ধির তুলনায় উৎপাদন বেশি হারে বাড়ে। এজন্য এ ক্ষেত্রে বিধিটি প্রযোজ্য হয়। আবার বিভিন্ন খনিজ পদার্থ উত্তোলনের জন্য ক্রমশ খনিজত গুগলে যেতে হয় ততই তার তলদেশের গঠন মজবুত হয় ও আলো বাতাস প্রবেশের জন্য উন্নত ব্যবস্থা করতে হয়। কিন্তু এর ফলে খরচ বাড়ার তুলনায় খনিজ দ্রব্যটি ক্রমান্বয়ে কম হারে তোলা যায়। ফলে বিধিটি প্রযোজ্য হয়। এছাড়া পুকুর, বিল, নদী ও সমুদ্র ইত্যাদি মৎস্যক্ষেত্রে বেশি মাছ শিকারের উদ্দেশ্য ও বিধিটির প্রযোজ্য হয়।