উদ্দীপকে ক্রমহ্রাসমান প্রান্তিক উৎপাগন বিধি কার্যকর হয়েছে।উদ্দীপকের সূচিতে দেখা যায় উৎপাদনের প্রাথমিক স্তরে শ্রম নিয়োগ বৃদ্ধির ফলে মোট উৎপাদন বৃদ্ধির সাথে সাথে প্রান্তিক উৎপাদনও বৃদ্ধি পায়। পরবর্তীতে শ্রম নিয়োগ বৃদ্ধি করলে মোট উৎপাদন বৃদ্ধি পেলেও প্রান্তিক উৎপাদন হ্রাস পায়। ফলে মোট উৎপাদন ক্রমহ্রাসমান হারে বাড়ে, যা ক্রমহ্রাসমান প্রান্তিক বিধিকে নির্দেশ করে।উল্লিখিত ক্রমহ্রাসমান প্রান্তিক উৎপাদান বিধিটি কৃষি ছাড়া শিল্প প্রতিষ্ঠান, মৎস্য, খনিজ, বনজ ক্ষেত্রেও এটি প্রযোজ্য বলে আমি মনে করি।
শিক্ষা ক্ষেত্রে: শিল্প ক্ষেত্রে প্রথম দিকে শ্রম ও মূলধন বৃদ্ধির ফলে শিল্পে অভ্যন্তরীণ ও বাহ্যিক ব্যয় সংকোচনের সুবিধা পাওয়ার কারণে একক প্রতি উৎপাদন খরচ হ্রাস পায়, তখন উৎপাদন ক্রমবর্ধমান মাত্রাগত সুবিধা অর্জন করে। কিন্তু আয়তনের সীমাবদ্ধতার কারণে নির্দিষ্ট সময় পর শ্রম ও মূলধন অধিক নিয়োগ করলে উৎপাদন ক্রমবর্ধমান হারে না বেড়ে ক্রমহ্রাসমান হারে বাড়তে থাকবে।খনিজ ক্ষেত্র: খনিজ পদার্থ যেমন- কয়লা, লোহা ইত্যাদি পদার্থ উত্তোলনের জন্য প্রথম দিকে উৎপাদন ব্যয় কম হলেও পর্যায়ক্রমে তা বাড়তে থাকে। আর তখন এ বিধি কার্যকর হয়।বনজ সম্পদ: বনজ সম্পদ আহরণের জন্য যতই গভীরে যাওয়া যায়, আরোহিত সম্পদ থেকে আয়ের তুলনায় ব্যয় অধিক হয়। অর্থাৎ এক্ষেত্রে বিধিটি প্রযোজ্য।
আলোচনার শেষে বলা যায় যে, ক্রমহ্রাসমান প্রান্তিক উৎপাদন বিধিটি কেবল কৃষি ক্ষেত্রে কার্যকর হয় না, উৎপাদনের অন্যান্য ক্ষেত্রে যথা-শিল্প, খনিজ, মৎস ও বনজ ক্ষেত্রে ও এটি প্রযোজ্য হয়।