উদ্দীপকে নির্দেশিত বিধিটি হল ক্রমবর্ধমান প্রান্তিক উৎপাদন বিধি। যে বিধিটি শিল্প ক্ষেত্রে কার্যকর বলে আমি মনে করি।
শিল্প ক্ষেত্রে শ্রম ও মূলধনের অধিক নিয়োগের ফলে দক্ষ উদ্যোক্তা,শ্রমিক ও আধুনিক যন্ত্রপাতির সমাবেশ সম্ভব। ফলে উৎপাদন ক্ষমতা ও দক্ষতা বৃদ্ধি পাবে,অল্প সময়ে অধিক উৎপাদন সম্ভব হবে এবং উৎপাদন খরচ হ্রাস পাবে।
উদ্দীপকে লক্ষ্য করা যায় উপকরণ ব্যয় বাড়ার কারণে মোট উৎপাদন ও প্রান্তিক উৎপাদন ক্রমবর্ধমান হারে বাড়ছে । অর্থাৎ এ থেকে বোঝা যায় যে এখানে উন্নত যন্ত্রপাতি এবং পুঁজি নির্ভর উৎপাদন ব্যবস্থা পরিলক্ষিত হচ্ছে ।বর্তমান যুগ উন্নত প্রযুক্তির যুগ ।যে দেশ তাদের অর্থ যত বেশি আধুনিক যন্ত্রপাতিতে বিনিয়োগ করে, সে দেশ তত বেশি উন্নত। তারা তাদের বিনিয়োগের চেয়ে অধিক মুনাফা অর্জন করে অধিক উৎপাদনের মাধ্যমে অর্থাৎ প্রান্তিক উৎপাদনশীলতা ক্রমবর্ধমান হয়। ক্রমবর্ধমান উৎপাদন বিধি শিল্প ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। তাছাড়া কৃষিক্ষেত্রেও এ বিধি কার্যকর হয় যদি উন্নত চাষাবাদ পদ্ধতি প্রয়োগ করা যায় । কারণ বর্তমানে উন্নত সেচ ,উন্নত বী্ কীটনাশক, যন্ত্রপাতি ব্যবহার করে কৃষির উৎপাদনশীলতা ক্রমবর্ধমান করা যাচ্ছে।
তাই বলা যায়, উদ্দীপকের নির্দেশিত বিধি অর্থাৎ ক্রমবর্ধমান প্রান্তিক উৎপাদন বিধি শিল্প ক্ষেত্রে কার্যকর এবং উন্নত চাষাবাদ পদ্ধতি প্রয়োগের মাধ্যমে কৃষি ক্ষেত্রেও কার্যকর করা যায়।