উদ্দীপকের আলোকে মোট উপযোগ ও প্রান্তিক উপযোগের মধ্যে সম্পর্ক ব্যাখ্যা করা হলো- প্রদত্ত উপযোগ সূচিটি পর্যালোচনা করে বলা যায়, ভোক্তার ভোগের পরিমাণ বৃদ্ধির সাথে সাথে মোট উপযোগ ক্রমহ্রাসমান হারে বৃদ্ধি পেলেও একসময়ে তা সর্বোচ্চ (৩০ টাকা) হয় এবং পরে হ্রাস পায়।
আর প্রান্তিক উপযোগ প্রথম থেকেই হ্রাস পায়, একসময়ে শূন্য হয়ে যায় এবং পরে তা ঋণাত্মক (-৫) হয়ে পড়ে। এ দু'ধরনের উপযোগ পরিবর্তনের প্রবণতা লক্ষ করলে দেখা যায়, মোট উপযোগের সর্বোচ্চ (৩০ টাকা) অবস্থায়, প্রান্তিক উপযোগ শূন্য (০) হয়। মোট উপযোগ হ্রাস পেলে (৩০ টাকা থেকে ২৫ টাকা) প্রান্তিক উপযোগ ঋণাত্মক (- ৫ টাকা) হয়ে পড়ে। সুতরাং, মোট উপযোগ ও প্রান্তিক উপযোগের মধ্যে সম্পর্ক দাঁড়ায় নিম্নরূপ:
১. মোট উপযোগ হলো ভোগকৃত কোনো দ্রব্যের সকল এককের উপযোগের সমষ্টি; আর প্রান্তিক উপযোগ হলো মোট উপযোগের অতিরিক্ত এক একক থেকে প্রাপ্ত উপযোগ। তাই প্রান্তিক উপযোগ হলো মোট উপযোগের একটি অংশ।
২. ভোগের পরিমাণ বৃদ্ধির সাথে সাথে মোট উপযোগ কী হারে বৃদ্ধি পায় তা প্রান্তিক উপযোগ প্রকাশ করে।
৩. কোনো দ্রব্যের ভোগ বৃদ্ধি পেলে মোট উপযোগ ক্রমহ্রাসমান হারে বৃদ্ধি পায়; কিন্তু প্রান্তিক উপযোগ ক্রমান্বয়ে হ্রাস পায়।
৪. মোট উপযোগ সর্বাধিক হলে প্রান্তিক উপযোগ শূন্য হয়।
৫. মোট উপযোগ হ্রাস পেলে প্রান্তিক উপযোগ ঋণাত্মক হয়। এভাবে উদ্দীপকের আলোকে মোট উপযোগ ও প্রান্তিক উপযোগের মধ্যে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক নির্ধারণ করা যায়।