উদ্দীপকে উল্লিখিত সমস্যাগুলো যেভাবে মূলধন গঠন বাধাগ্রস্থ করছে তা ব্যাখ্যা করা হলো-
নিম্ন মাথাপিছু আয় : বাংলাদেশের মতো নিম্ন আয়ের দেশে মানুষের মাথাপিছু আয় কম এবং তাদের প্রান্তিক ভোগপ্রবণতা বেশি হওয়ায় সমাজের ব্যক্তিগত আর্থিক সঞ্জয় কম। মুদ্রাস্ফীতির ফলে এ আয় ও সঞ্জয় আরও হ্রাস পায়।
জীবনযাত্রার নিম্নমান : বালাদেশের বেশিরভাগ মানুষের আয় কম হওয়াই তাদের জীবনযাত্রার মান নিম্ন। এ নিম্ন জীবনযাত্রার মানের কারণে মূলধন গঠন বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।
দুর্বল অবকাঠামো : বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অবকাঠামো দুর্বল। আর এ অবকাঠামো দুর্বল হওয়ার কারণে সঞ্জয় প্রবণতা কম, যা মূলধন গঠন বাধাগ্রস্ত করছে।
সুশাসনের অভাব : সুশাসন না থাকলে মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় বেড়ে যায়। জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির কারণে মূলধন গঠন বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।, আমলাতান্ত্রিক জটিলতা : বাংলাদেশে আমলাতান্ত্রিক জটিলতার কারণে মানুষ অধিক ব্যয় করে থাকে, যা মূলধন বাধাগ্রস্ত করছে।
মুদ্রাস্ফীতি : বাংলাদেশে যেসমস্ত উপাদান মূলধন গঠন বাধাগ্রস্ত করছে তার মধ্যে মুদ্রাস্ফীতি অন্যতম । মুদ্রাস্ফীতির কারণে মানুষের জীবনযাত্রায় ব্যয় বেড়ে যায় যার ফলে সঞ্জয় প্রবণতা কমে যায়, যা মূলধন গঠন বাধাগ্রস্ত করছে।
এভাবে উদ্দীপকের নিম্ন মাথাপিছু আয়, জীবনযাত্রার নিম্নমান, দুর্বল অবকাঠামো, সুশাসনের অভাব, আমলাতান্ত্রিক জটিলতা, মুদ্রাস্ফীতি ইত্যাদি বিষয়গুলো মূলধন গঠনে বাধাগ্রস্ত করছে।