শ্রমের দক্ষতা বলতে প্রাথমিক উৎপাদন ক্ষমতাকে বোঝায়। কমপক্ষে দ্রব্যের গুণগত মান অক্ষুণ্ণ রেখে কোনো নির্দিষ্ট সময়ে একজন শ্রমিকের অধিক উৎপাদন করার ক্ষমতাকে শ্রমের দক্ষতা বলে। বাংলাদেশের গার্মেন্টস শ্রমিকের দক্ষতা বৃদ্ধিতে নিম্নোক্ত কারণগুলো উল্লেখ করা হলো-১. শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ উপযুক্ত শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ দ্বারা শ্রমিকের বুদ্ধিবৃত্তির বিকাশ ঘটে, দক্ষতা বৃদ্ধি পায়।
২. কারখানার পরিবেশ: কারখানার পরিবেশ যদি মনোরম, স্বাস্থ্যকর হয়, তাহলে শ্রমিক কাজ করে আনন্দ পায়, কিন্তু নোংরা পরিবেশে শ্রমিক কর্মস্পৃহা হ্রাস পায়।৩. নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা: অনেক সময় শ্রমিক কাজ করতে গিয়ে দুর্ঘটনায় পতিত হয়। এতে জীবন ও সম্পদ হুমকির সম্মুখীন হতে পারে। এ ধরনের শ্রমিকদের নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করলে তাদের কাজ করার ইচ্ছা বৃদ্ধি পাবে।৪. কাজের সময়: শ্রমিকের কাজের মধ্যে উপযুক্ত বিশ্রাম ও বিরতি দেওয়া প্রয়োজন। এতে শ্রমিকের মানসিক প্রশান্তি বৃদ্ধি পায় ও উত্তমরূপে কর্মে নিয়োজিত হয়।৫. কারখানার অবস্থা: কারখানার অবস্থা বলতে কারখানার অভ্যন্তরে পর্যাপ্ত আলো-বাতাস, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন পরিবেশ প্রভৃতি বিষয়কে বোঝায় যাতে শ্রমিকরা স্বাচ্ছন্দে কাজ করতে পারে।পরিশেষে বলা যায়, প্রথমত দক্ষতা অনেক বিষয়ের ওপর নির্ভরশীল। শ্রমের দক্ষতা দেশের জন্য বিরাট সম্পদ কারণ এর দ্বারা সম্পদের সুষ্ঠু ব্যবহারের মাধ্যমে জনসাধারণের জীবনযাত্রার মান উন্নত হয়।