X দেশের অর্থব্যবস্থা হলো ধনতান্ত্রিক অর্থব্যবস্থা। যার তিনটি বৈশিষ্ট্য হলো-
১. সম্পদের ব্যক্তি মালিকানা: ধনতান্ত্রিক অর্থব্যবস্থার অন্যতম প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো সম্পদের ব্যক্তিমালিকানা। সমাজের অধিকাংশ সম্পদ ও উৎপাদনের উপকরণের ওপর ব্যক্তিমালিকানা বজায় থাকে।২. দামব্যবস্থা: ধনতান্ত্রিক অর্থব্যবস্থার আরেকটি বৈশিষ্ট্য হলো স্বয়ংক্রিয় দামব্যবস্থা। দামব্যবস্থা প্রথম একটি অর্থনৈতিক পদ্ধতি যা ধনতান্ত্রিক সমাজের উৎপাদন, বিনিয়োগ, বণ্টন, ভোগ তথা সার্বিক অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডকে পরিচালিত করে।৩. উদ্যোগের স্বাধীনতা: ধনতান্ত্রিক অর্থব্যবস্থার আরেকটি বৈশিষ্ট্য হলো উদ্যোগের স্বাধীনতা। উৎপাদন, বিনিময়, বণ্টন, ভোগ প্রভৃতি ক্ষেত্রে বেসরকারি উদ্যোগে স্বীকৃত। মানুষের অর্থনৈতিক কর্মকান্ডে সরকারের হস্তক্ষেপ বাঞ্ছনীয় নয়।উদ্দীপকে দেখা যায়, X দেশে উৎপাদন ব্যবস্থা এমনকি চিকিৎসা সেবাও ব্যক্তিগত মালিকানাকায় পরিচালিত হয়, যা ধনতান্ত্রিক অর্থব্যবস্থাকে নির্দেশ করে। X দেশের তথা ধনতান্ত্রিক অর্থব্যবস্থার তিনটি বৈশিষ্ট্য উল্লেখ করা হয়েছে।