আজমল স্যার অর্থনীতির যে দুটি ধারণের কথা উল্লেখ করেছেন তা হল - ব্যষ্টিক অর্থনীতি এবং সামষ্টিক অর্থনীতি।
অর্থাৎ আজমল স্যারের আলোচনাকৃত - উৎপাদন মূল্য নির্ধারণ, বন্টনতত্ত্ব ইত্যাদি হলো ব্যষ্টিক অর্থনীতি এবং পূর্ণ নিয়োগ অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, বাণিজ্যচক্রের উত্থান-পতনসহ অর্থনৈতিক জীবনে সামগ্রিক উন্নয়ন কর্মকাণ্ড হলো সামষ্টিক অর্থনীতি।
ব্যষ্টিক অর্থনীতি বলতে, অর্থনীতির প্রতিটি এককের আচরণ ও কার্যকলাপ পৃথক পৃথকভাবে বিশ্লেষণ করাকে বুঝায়। যেমন ব্যক্তিগত চাহিদা, যোগান, আয়, ভোগ, সঞ্চয়, বিনিয়োগ এবং কোন একটি উৎপাদন প্রতিষ্ঠানের আয় ব্যয়, মুনাফা প্রভৃতি ব্যষ্টিক অর্থনীতির উদাহরণ।
অন্যদিকে, অর্থনীতির আওতাভুক্ত কোন বিষয়কে যখন সামগ্রিক বা জাতীয় পর্যায়ে বিশ্লেষণ করা হয় তাকে সামষ্টিক অর্থনীতি বলা হয়। যেমন সামগ্রিক চাহিদা, সামগ্রিক যোগান, সামগ্রিক ভোগ, সাধারণ মূল্যস্তর, মজুরিস্তর, জাতীয় আয়, সামগ্রিক বিনিয়োগ ব্যয়, জাতীয় সঞ্চয়, নিয়োগ স্তর প্রভৃতি সামষ্টিক অর্থনীতির উদাহরণ।