উদ্দীপকে উল্লিখিত লামিয়ার দেশের সমাজতান্ত্রিক অর্থ ব্যবস্থা বিদ্যমান। নিম্নের সমাজতান্ত্রিক অর্থ ব্যবস্থা তিনটি বৈশিষ্ট্য ব্যাখ্যা করা হলো :সম্পদের মালিকানা : সমাজতান্ত্রিক অর্থ ব্যবস্থায় সম্পদের মালিকানা হয় শুধু সরকার। আর ব্যক্তি মালিকানাধীন কোন সম্পদ না থাকায় এক্ষেত্রে ব্যক্তি উদ্যোগের কোন কর্মকান্ড পরিলক্ষিত হয় না। উদ্দীপকের লমিয়ার দেশেও সেই দেশের অর্থনৈতিক কর্মকান্ড শুধুমাত্র সরকার নিয়ন্ত্রণ করে যা দ্বারা বুঝা যায় সম্পত্তির মালিক শুধুমাত্র সরকার। কেন্দ্রীয় পরিকল্পনা: সমাজতান্ত্রিক অর্থ ব্যবস্থায় কেন্দ্রীয় পরিকল্পনার ভিত্তিতে প্রত্যেক ব্যক্তি তার যোগ্যতা অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করবেন এবং নির্ধারিত পন্য ভোগ করবেন। এক্ষেত্রে ভোক্তা স্বাধীনতা থাকে না। এছাড়াও দেশের অন্যান্য কর্মকাণ্ডও কেন্দ্রীয় পরিকল্পনার মাধ্যমেই পরিচালিত হয়। উদ্দীপকেও বলা হয়েছে, উক্ত দেশে উৎপাদন, বন্টন, ভোগ সবই কেন্দ্রীয় পরিকল্পনার মাধ্যমে পরিচালিত হয়। সমাজের শ্রেণীবৈষম্য লোপ: সমাজতান্ত্রিক অর্থ ব্যবস্থায় উৎপাদন ভোগ সহ সকল কর্মকান্ড কেন্দ্রীয় পরিকল্পনার মাধ্যমে পরিচালিত হয়, যার ফলে দ্রব্যমূল্যের উপর সরকারের সরাসরি নিয়ন্ত্রণ থাকে। এতে করে একদিকে যেমন কোন অবাধ প্রতিযোগিতা দেখা যায় না অন্যদিকে দ্রব্যমূল্য জনগণের সামর্থের মধ্যে থাকায় সমাজে কোনরূপ শ্রেণী বৈষম্য তৈরি হয় না। উদ্দীপকের দেশেও যেহেতু উৎপাদন বন্টন সহ সকল কর্মকান্ড কেন্দ্রীয় পরিকল্পনায় পরিচালিত, তাই উক্ত দেশেও শ্রেণী বৈষম্য পরিলক্ষিত হবে না।