উদ্দীপকে উল্লেখিত অর্থব্যবস্থার সাথে নির্দেশনামূলক অর্থব্যবস্থার তুলনামূলক পর্যালোচনা করা হলো : উদ্দীপকে এর দেশটিতে ধনতান্ত্রিক অর্থব্যবস্থা বিদ্যমান। এখানে এ ব্যক্তিগত উদ্যোগের মাধ্যমে ভোক্তা তার ইচ্ছা অনুযায়ী চাহিদা পূরণ করছে। একই সাথে সর্বোচ্চ মুনাফা অর্জনের লক্ষ্যে উদ্যোক্তারা সেবা ও উৎপাদন করে যাচ্ছে। এতে করে ধনী এবং দরিদ্রের শ্রেণী বৈষম্য সৃষ্টি হচ্ছে। এছাড়াও বক্তাদের চাহিদা মাফিক দ্রব্য উৎপাদন করা হয় বলে, কোন কোন দ্রব্য উপত্যকা দিতে হবে সেটি ভোক্তার ইচ্ছায় থাকে। যার ফলে তুলনামূলক জনকল্যাণ কম হয। অপরদিকে সমাজতান্ত্রিক অর্থ ব্যবস্থায় সকল সম্পত্তি রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন থাকে। যার ফলে কোন ব্যক্তিগত উদ্যোগ পরিলক্ষিত হয় না এবং এ কারণে অবাধ প্রতিযোগিতাও দেখা যায় না। এছাড়াও সকল কর্মকান্ড কেন্দ্রীয় পরিকল্পনার মাধ্যমে হয়ে থাকে এবং ভোক্তা কি গ্রহণ করবে সেটিও পরিকল্পনার আওতাধীন থাকে। যার ফলে ধনী-দরিদ্র সবার জন্য পরিকল্পনাধীন কর্মকাণ্ড থাকায় সমাজের জনকল্যাণ তুলনামূলক বেশি হয়। তাই বলা যায় উল্লেখিত অর্থব্যবস্থার সাথে নির্দেশনা মূলক অর্থব্যবস্থায় জনকল্যাণের দিক থেকে বিশাল পার্থক্য বিরাজমান।