যেহেতু উদ্দীপকে দেখা যায়, বাংলাদেশে ধনতান্ত্রিক অর্থব্যবস্থা বিদ্যমান, তাই X দেশে বাংলাদেশের মতো অর্থনৈতিক ব্যবস্থা চালু করতে হলে ধনতান্ত্রিক অর্থব্যবস্থার বৈশিষ্ট্য যোগ করতে হবে।
যে অর্থব্যবস্থায় সম্পদের ব্যক্তি মালিকানা এবং ব্যক্তিস্বাতন্ত্র্য বিদ্যমান থাকে, তাকে ধনতান্ত্রিক অর্থব্যবস্থা বলে। এ অর্থব্যবস্থায় উৎপাদনের উপকরণগুলোর ব্যক্তিগত মালিকানা বিদ্যমান এবং সরকারি হস্তক্ষেপ ব্যতিরেকে অবাধ দাম প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বাজার ব্যবস্থা পরিচালিত হয়।
উদ্দীপকে X দেশের সব সম্পদের মালিক সরকার। এখানে সব অর্থনৈতিক কর্মকান্ড সরকারের নিয়ন্ত্রণে পরিচালিত হয়। অর্থাৎ এখানে সমাজতান্ত্রিক, অর্থব্যবস্থা বিদ্যমান। অন্যদিকে, জনাব রহমানের দেশ বাংলাদেশের পরিস্থিতি সম্পূর্ণ বিপরীত। অর্থাৎ এখানে ব্যক্তি সব ক্ষমতার মালিক ও ব্যক্তি উদ্যোগেই সকল কাজকর্ম পরিচালিত হয়। তাই এটি ধনতান্ত্রিক বা পুঁজিবাদী অর্থ ব্যবস্থা।
সম্পদের মালিকানা রাষ্ট্র থেকে ব্যক্তির হাতে হস্তান্তর করলে ও অর্থনৈতিক কর্মকান্ডে পরিবর্তনের মাধ্যমে দেশকে সমাজতন্ত্র থেকে ধনতান্ত্রিক অর্থব্যবস্থায় রূপান্তর করা যায়। দাম ব্যবস্থা সরকার কর্তৃক নিয়ন্ত্রণ না করে অবাধ প্রতিযোগিতার মাধ্যমে চাহিদা ও যোগানের ভিত্তিতে দাম নির্ধারণের সুযোগ তৈরি করতে হবে। জনগণকে ভোগের স্বাধীনতা দিতে হবে, জনগণ যেন তার ইচ্ছা ও সামর্থ্য অনুযায়ী ভোগ করতে পারে। এসব পদক্ষেপ গ্রহণ করলে X দেশ ধনতান্ত্রিক বা পুঁজিবাদী অর্থনীতির দেশে পরিণত হবে।