উদ্দীপকের আলোকে ৫ টাকা ও ১৫ টাকা দামে বাজার ভারসাম্যহীনতা সৃষ্টি হবে।
কোনো নির্দিষ্ট দামে দ্রব্যের চাহিদা ও যোগানের পরিমাণ সমান না হলে বাজারে ভারসাম্যহীনতা দেখা দেয়। দাম ভারসাম্যের চেয়ে কম হলে অতিরিক্ত চাহিদা সৃষ্টি হয়। ফলে যোগান ঘাটতি দেখা দেয়। দাম ভারসাম্যের চেয়ে বেশি হলে অতিরিক্ত যোগান সৃষ্টি হয়। এতে বাজারে ভারসাম্যহীনতা দেখা যায়।
উদ্দীপকের তালিকা অনুযায়ী, ভারসাম্য দাম ১০ টাকা এবং ভারসাম্য পরিমাণ ১২ একক। এখন দ্রব্যের দাম ৫ টাকা হলে চাহিদার পরিমাণ হয় ১৮ একক এবং যোগানের পরিমাণ হয় ৬ একক। এক্ষেত্রে চাহিদার পরিমাণ যোগানের পরিমাণের (১৮৬) = ১২ একক চেয়ে বেশি। অর্থাৎ,বাজারে অতিরিক্ত চাহিদা বা যোগানের ঘাটতি দেখা দেয়। আবার, দ্রব্যের দাম ১৫ টাকা হলে চাহিদার পরিমাণ হয় ৬ একক এবং যোগানের পরিমাণ হয় ১৮ একক। এক্ষেত্রে চাহিদার পরিমাণ যোগানের পরিমাণের (১৮ – ৬) = ১২ একক চেয়ে কম। অর্থাৎ, বাজারে অতিরিক্ত যোগান বা উদ্বৃত্ত দেখা দেয়। ফলে উভয় ক্ষেত্রেই বাজার ভারসাম্যহীনতা সৃষ্টি হয়।
বাজারে ভারসাম্য অবস্থায় চাহিদা ও যোগানের পরিমাণ সমান থাকে। কিন্তু কোনো কোনো ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট দ্রব্যের চাহিদার চেয়ে যোগান কম হলে যোগানের ঘাটতি দেখা দেয়। আবার, কোনো দ্রব্যের চাহিদার চেয়ে যোগান বেশি হলে যোগানের উদ্বৃত্ত দেখা দেয়। এরূপ পরিস্থিতিতে বাজারে ভারসাম্যের বিঘ্ন ঘটে। তাই বলা যায়, উদ্দীপকের ৫ ও ১৫ টাকা দামে বাজারে ভারসাম্যের বিঘ্ন ঘটবে।