উদ্দীপকে তালিকাটি অর্থনীতির ক্রমহ্রাসমান প্রান্তিক উপযোগ বিধির সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ। নিম্নে তা বিশ্লেষণ করা হলো :যখন কোন দ্রব্যের ভোগ বাড়ে তখন মোট উপযোগ ক্রম হ্রাসমান হারে বাড়তে পারে। যার ফলে প্রান্তিক উপযোগ ক্রমশ হ্রাস পায়। এটি প্রান্তিক উপযোগ বিধি হিসেবে পরিচিত। এই বিধিটি কয়েকটি অনুমিত শর্তের উপর প্রতিষ্ঠিত। এই শর্ত সমূহের ব্যতিক্রম ঘটলে বিধিটি কার্যকর হয় না। উদ্দীপকে কমলা ভোগের একক এবং মোট উপযোগ দেওয়া আছে। ১ একক ভোগের ফলে মোট উপযোগ ১৬ এবং প্রান্তিক উপযোগ ১৬। একই ভাবে ভোগ বৃদ্ধি পেয়ে ২,৩,৪ ও ৫ একক হলে মোট উপযোগ ক্রম হ্রাসমান হারে বেড়ে ২৮, ৩৬, ৪০, ৪০ একক হয়। ফলে প্রান্তিক উপযোগ যথাক্রমে ১২,৮,৪ ও ০ হয়। অর্থাৎ প্রান্তিক উপযোগ ক্রমান্বয়ে হ্রাস পেয়েছে। তাই এক্ষেত্রে ক্রমহ্রাসমান প্রান্তিক উপযোগ বিধি কার্যকর হয়েছে।ক্রমহ্রাসমান প্রান্তিক উপযোগ বিধির ক্ষেত্রে ভোক্তার পছন্দ, রুচি অপরিবর্তনীয় ইত্যাদি বিভিন্ন অনুমিত শর্ত ধরা হয়। এছাড়া নির্দিষ্ট সময় এবং সমজাতীয় দ্রব্য বিবেচনা করা হয়। কিন্তু এ শর্ত সমূহ পরিবর্তিত হলে তখন বিধিটি কার্যকর হয় না। যেমন ভোক্তার আয় ও রুচি বাড়লে প্রান্তিক উপযোগ বৃদ্ধি পায়। আবার দ্রব্যের একক সমজাতীয় না হলে এবং সময় পরিবর্তন হলে ভোগের প্রান্তিক উপযোগ ও পরিবর্তন হয়। এছাড়াও কৃপণের ক্ষেত্রে সম্পদের প্রান্তিক উপযোগ না কমে বরং বৃদ্ধি পায়।তাই বলা যায়, উদ্দীপকে তালিকাটি অর্থনীতির ক্রমহ্রাসমান প্রান্তিক উপযোগ বিধির সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ।