বাজার দাম যদি ভারসাম্য দাম হতে বিচ্যুত হয় তাহলে অতিরিক্ত যোগান দেখা দেবে নতুবা অতিরিক্ত চাহিদা দেখা দেবে।
আমরা জানি, দ্রব্যের দাম বাড়লে চাহিদা বাড়ে আবার দাম কমলে চাহিদা কমে। আবার যোগানের ক্ষেত্রে তার বিপরীতটা হয়ে থাকে। এক্ষেত্রে দাম যদি ভারসাম্য বিন্দুর চেয়ে আরো বেড়ে যায় তাহলে ক্রেতারা তাদের চাহিদা কমিয়ে দিবে কিন্তু বিক্রেতারা তাদের যোগান বাড়িয়ে দিবে ফলে বাজারে ভারসাম্য নষ্ট হবে। তেমনিভাবে দাম কমলে চাহিদা ও যোগানের বিপরীত অবস্থা হবে ।
উদ্দীপকে আমারে বাজারে আমরা দেখতে পাই, ভারসাম্য বিন্দুর উপরে যখন দাম কিছুটা কম তখন চাহিদার পরিমাণ অনেক বেশি কিন্তু যোগানের পরিমাণ কম। আবার দাম ভারসাম্য দাম ৪০ টাকার উপরে তখন যোগানের পরিমাণ অনেক বেশি কিন্তু চাহিদার পরিমাণ কম।
চিত্র: ভারসাম্য
উপরের চিত্রে, ভারসাম্য দাম ৪০ টাকা ও ভারসাম্য পরিমাণ ৩০ একক যা Eo বিন্দু দ্বারা নির্দেশিত। এখন দাম পরিবর্তন হয়ে ৫০ টাকা হলে দ্রব্যের যোগান বৃদ্ধি পেয়ে হয় ৪০ একক যা যোগান রেখার d বিন্দুতে নির্দেশিত তবে এক্ষেত্রে চাহিদার পরিমাণ ২০ একক যা চাহিদা রেখায় বিন্দুতে নির্দেশিত। ফলে cd পরিমাণ অতিরিক্ত যোগান দেখা দেবে । অপরপক্ষে, দাম কমে যখন ৩০ টাকা হবে তখন চাহিদা বেড়ে ৪০ একক হবে। যা b বিন্দু দ্বারা নির্দেশিত। তবে যোগানের পরিমাণ কমে হবে ২০ একক যা a বিন্দু দ্বারা নির্দেশিত। ফলে ab পরিমাণ অতিরিক্ত চাহিদা থাকবে। অতএব আমরা বলতে পারি যে, দাম যদি ভারসাম্য দামের চাইতে বেশি হয় তখন চাহিদা কম যোগান বেশি আর ভারসাম্য দামের চেয়ে কম হলে যোগান কম চাহিদা বেশি।