দৃশ্যকল্প-১ এ সহপরিবর্তন পদ্ধতি ও দৃশ্যকল্প-২ এ অন্বয়ী পদ্ধতির উল্লেখ পাওয়া যায়।
সহপরিবর্তন পদ্ধতি একটি পরীক্ষণাত্বক পদ্ধতি। কার্যকারণ সম্পর্ক আবিষ্কারের জন্য এ পদ্ধতি পরীক্ষণ ও নিরীক্ষণের ওপর নির্ভর করে। এ পদ্ধতি যদি পরীক্ষণের ওপর নির্ভরশীল হতো, তাহলে সিদ্ধান্ত নিশ্চিত হতো। কিন্তু বাস্তবে তা হয় না। কারণ এটি নিরীক্ষণের ওপরও নির্ভর করে। তাই সহপরিবর্তন পদ্ধতিকে শুধু নিরক্ষণের বা পরীক্ষণের পদ্ধতি বলা যায় না। অন্যদিকে, অন্বয়ী পদ্ধতি নিরীক্ষণের ওপর নির্ভর করে। এতে পরীক্ষণের কোনো সুযোগ নেই। যেসব ক্ষেত্রে পরীক্ষণ সম্ভব নয়, সেসব ক্ষেত্রেও নিরীক্ষণ পদ্ধতি প্রয়োগ করা হয়। এ পদ্ধতি সম্পূর্ণভাবে নিরীক্ষণের ওপর নির্ভরশীল। তাই একে নিরীক্ষণের পদ্ধতি বলা হয়।
দৃশ্যকল্প-১ অনুযায়ী দেশের উন্নতি-অবনতির সাথে জনগণের আত্মসচেতনতা জড়িত। যা সহপরিবর্তন পদ্ধতিকে নির্দেশ করে। অন্যদিকে, দৃশ্যকল্প-২ অনুযায়ী একটি বিষয়ে মিল আর অন্য সব বিষয়ে অমিল দেখে সহজেই বোঝা যায় পদ্ধতিটি হলো অন্বয়ী ।
পরিশেষে বলা যায়, সহপরির্তন পদ্ধতি কার্যকারণ আবিষ্কারের জন্য পরীক্ষণ ও নিরীক্ষণের ওপর নির্ভর করে। অন্যদিকে অন্বয়ী পদ্ধতি শুধু নিরীক্ষণের ওপর নির্ভর করে।