উদ্দীপকে সড়ক কর্তৃপক্ষ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে ঘন ঘন দুর্ঘটনার কারণ হিসেবে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের 'বাঁকুকে' কারণ হিসেবে চিহ্নিত করেন, যা বৈধ প্রকল্পের সকল স্তর অনুসরণ করেছে কিনা নিম্নে বিশ্লেষণ করা হলো-বৈধ প্রকল্পের চারটি স্তর : নিরীক্ষণ, আনুমানিক ধারণা, সিদ্ধান্ত অনুমান ও পরীক্ষামূলক সমর্থন। উদ্দীপকে সড়ক কর্তৃপক্ষ প্রথমেই ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে এটা প্রকল্পের প্রথম স্তর নিরীক্ষণকে অনুসরণ করেছে। কেননা নিরীক্ষণ হলো কোনো ঘটনার সংস্পর্শে এসে মনোযোগসহকারে প্রত্যক্ষ করা। এরপর সড়ক কর্তৃপক্ষ ঘন ঘন দুর্ঘটনার কারণ হিসেবে নিরীক্ষিত ঘটনা থেকে একটি কারণকে আন্দাজ করে, যা বৈধ প্রকল্পের দ্বিতীয় স্তর আনুমানিক ধারণাকে নির্দেশ করে। সড়ক কর্তৃপক্ষ এরপর একটি সিদ্ধান্ত নেয় যে রাস্তার বাকই দুর্ঘটনার কারণ। যেটা প্রকল্পের তৃতীয় স্তর সিদ্ধান্ত অনুমানকে নির্দেশ করে। এরপর সড়ক কর্তৃপক্ষ তাদের অনুমিত সিদ্ধান্তটি বাস্তবের সাথে মিলিয়ে দেখে এবং 'রাস্তার বাঁককেই' ঘন ঘন দুর্ঘটনার কারণ বলে চিহ্নিত করে, যা প্রকল্পের শেষ স্তর পরীক্ষামূলক সমর্থনকে ইঙ্গিত করে। সুতরাং বলা যায় যে, সড়ক কর্তৃপক্ষের দুর্ঘটনার কারণ নির্ণয়ে বৈধ প্রকল্পের সকল স্তর অনুসরণ করা হয়েছে।