দৃশ্যকল্প-২ এ বৈধ প্রকল্পের সাথে সংগতিপূর্ণ নয়।
প্রকল্প প্রণয়নের সময় ঘটনার সম্ভাব্য কারণ অনুমান করা হয়। তাই প্ৰকল্প প্রণয়নে এমন কারণ অনুমান করতে হয়, যার বাস্তব অস্তিত্ব আছে। এরূপ কারণকেই বলা হয় বাস্তব কারণ। এটি যথার্থ বা বৈধ প্রকল্পের অন্যতম শর্ত। অর্থাৎ কোনো প্রকল্পকে যথার্থ বা বৈধ হতে হলে তাকে অবশ্যই বাস্তব কারণভিত্তিক হতে হবে। বাস্তবতা বর্জিত কোনো কারণকে প্রকল্প হিসেবে গ্রহণ করলে তা বৈধ হবে না। যেমন— একটি শিশু হারিয়ে গেলে কেউ যদি অনুমান করে শিশুটিকে ভূতে নিয়ে গেছে, তাহলে এরূপ কারণটি বাস্তবতা বর্জিত হবে। কেননা ভূত বলে বাস্তবে আমরা কিছু দেখি না। ঠিক এমন দৃষ্টান্তই লক্ষ করা যায় দৃশ্যকল্প-২ এ।
দৃশ্যকল্প-২ এ বর্ণিত গভীর রাতে শাঁওলীর কান্নার কারণ হিসেবে তার মা বলেন, কুবাতাস লাগার কারণে শাঁওলী পেটের ব্যথায় কাঁদছে। তার এ বক্তব্য বাস্তবতাবর্জিত। কেননা বাস্তবে কুবাতাস বলে কিছু নেই আর এরূপ বাতাসে পেটে ব্যথা হয় এমন বক্তব্য অবাস্তব। এ কারণে শাঁওলীর মা'র বক্তব্য হলো অবৈধ প্রকল্পের দৃষ্টান্ত।
পরিশেষে বলা যায়, কোনো আনুমানিক ধারণাকে প্রকল্পের মর্যাদা লাভ করতে হলে কতগুলো শর্ত পালন করতে হয়। প্রকল্পটি বাস্তব কারণভিত্তিক হওয়া শর্তগুলোর অন্যতম। এ শর্তের ভিত্তিতে বলা যায়, দৃশ্যকল্প-২ এ বৈধ প্রকল্পের সাথে সংগতিপূর্ণ নয়।