উদ্দীপকে প্রকল্পের স্তরের নির্দেশ রয়েছে। বিশ্লেষণ করা হলো-প্রকল্পের চারটি স্তর রয়েছে। প্রথম স্তর হলো দেখা বা নিরীক্ষণ। একটি ঘটনার কারণ ব্যাখ্যার জন্য প্রথমে ঘটনাটি নিরীক্ষণ করতে হয়। অর্থাৎ নিরীক্ষণ থেকেই প্রকল্পের যাত্রা শুরু হয়। উদ্দীপকে বর্ণিত প্রকল্পের প্রথম ধাপে 'বমি, গা গরম, শীতের অনুভূতি, মাথাব্যথা' উল্লেখ করা হয়েছে। এসব নিরীক্ষণের অন্তর্ভুক্ত। প্রকল্পের দ্বিতীয় স্তর হলো, সতর্কতা বা প্রাথমিক আনুমানিক ধারণা গঠন। প্রাকৃতিক ঘটনার যথার্থ নিরীক্ষণের মাধ্যমে আমরা যেসব তথ্য পেয়ে থাকি তার মধ্যে প্রয়োজনীয় তথ্যের সন্নিবেশ ঘটিয়ে প্রাথমিক আনুমানিক ধারণা গঠন করতে হয়। এ কারণে বমি, গা গরম, শীতের অনুভূতি, মাথাব্যথার কারণ হিসেবে উদ্দীপকের দ্বিতীয় ধাপে 'বৃষ্টিতে ভেজা, অতিরিক্ত পরিশ্রম, অনিদ্রা' উল্লেখ করা হয়েছে। প্রকল্পের তৃতীয় স্তর হলো, নির্বাচন বা সিদ্ধান্ত গ্রহণ। অর্থাৎ এই স্তরে আনুমানিক ধারণার ওপর ভিত্তি করে সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। উদ্দীপকের তৃতীয় স্তরে সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে যে 'জ্বর' হলে উল্লেখিত সমস্যা তৈরি হয়। প্রকল্পের চতুর্থ স্তর হলো পরীক্ষণ বা সিদ্ধান্ত যাচাইকরণ। গৃহীত সিদ্ধান্ত সঠিক না-কি ভ্রান্ত তা পরীক্ষা করাই হলো সিদ্ধান্তের যাচাইকরণ। উদ্দীপকে এই স্তরে মেডিকেল রিপোর্টের ভিত্তিতে জ্বর নির্ণয় করা হয়েছে। অর্থাৎ যাচাইকরণে মাধ্যম অনুমানিক ধারণা সত্য বলে প্রতীয়মান হয়েছে। তাই বলা যায়, উদ্দীপকে প্রকল্পের চারটি স্তরেরই নির্দেশ রয়েছে।