উদ্দীপকে পুলিশের আসামী শনাক্তকরণ প্রক্রিয়া প্রকল্পের বিষয়কে নির্দেশ করে। নিচে প্রকল্পের ধারণা বিশ্লেষণ করা হলো-প্রকল্প হলো একটি প্রাথমিক আনুমানিক ধারণা। কোনো একটি ঘটনা ব্যাখ্যা করার জন্য আমরা প্রাকৃতিক ঘটনাবলি নিরীক্ষণের মাধ্যমে প্রাপ্ত অভিজ্ঞতা থেকে প্রকল্প গঠন করি। এরপর ঐ প্রকল্পের ওপর ভিত্তি করে অগ্রসর হই। অর্থাৎ নিরীক্ষণ থেকেই প্রকল্পের যাত্রা শুরু হয়। এরপর নিরীক্ষণের মাধ্যমে প্রাপ্ত অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে প্রাথমিক আনুমানিক ধারণা গঠন করা হয়। অর্থাৎ প্রাকৃতিক ঘটনার যথার্থ নিরীক্ষণের মাধ্যমে যেসব তথ্য পাওয়া যায়, তার মধ্যে প্রয়োজনীয় তথ্যের সন্নিবেশ ঘটিয়ে প্রাথমিক আনুমানিক ধারণা গঠন করা হয়। পরবর্তীতে আনুমানিক ধারণার ওপর ভিত্তি করে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। সিদ্ধান্ত যাচাইকরণ হলো প্রকল্প প্রণয়নের সর্বশেষ কাজ। এ অংশে কোনো প্রকল্প সম্পর্কে গৃহীত সিদ্ধান্ত বাস্তবতার নিরীখে যাচাই করা হয়। যদি সিদ্ধান্তটি বাস্তবতার সাথে মিলে যায়, তাহলে তা সঠিক বলে বিবেচিত হবে। আর যদি সেটি বাস্তবতা বর্জিত হয়, তাহলে তা ত্রুটিপূর্ণ বলে বাতিল হয় এবং নতুন প্রকল্প গঠন করে আবার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে হয়।উদ্দীপকে বর্ণিত ঘটনায় একটি খুনের ঘটনা তদন্তে এসে পুলিশ পলাশ, দীপু এবং নাজমুলকে সন্দেহ করে। অর্থাৎ নিরীক্ষণের ভিত্তিতে প্রাথমিক আনুমানিক ধারণা গঠন করে। পরবর্তীতে ঘটনাস্থলে কিছু পায়ের ছাপের সাথে আনুমানিক ধারণা মিলে যায়। এ থেকেই পুলিশ হত্যাকারীকে চিহ্নিত করতে পারে।পরিশেষে বলা যায়, প্রকল্পের বৈধতা চারটি ধাপের মাধ্যমে সম্পন্ন হয়, যার দৃষ্টান্ত উদ্দীপকে পুলিশের আসামী সনাক্তকরণ প্রক্রিয়ায় লক্ষ করা যায়।