উদ্দীপকে বিজলী নাবিলাকে খোঁজার জন্য যে ধাপগুলো অনুসরণ করেছে, প্রকল্পের আলোকে তা বিশ্লেষণ করে দেখানো হলো-প্রকল্পের প্রথম ধাপে আমরা প্রাকৃতিক ঘটনাবলি নিরীক্ষণের মাধ্যমে প্রাপ্ত অভিজ্ঞতা থেকে অনুমান করি। এরপর ঐ অনুমানের ওপর ভিত্তি করে অগ্রসর হই। এরপর নিরীক্ষণের মাধ্যমে প্রাপ্ত অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে প্রাথমিক আনুমানিক ধারণা গঠন করা হয়। অর্থাৎ প্রাকৃতিক ঘটনার যথার্থ নিরীক্ষণের মাধ্যমে যেসব তথ্য পাওয়া যায়, তার মধ্যে প্রয়োজনীয় তথ্যের সন্নিবেশ ঘটিয়ে প্রাথমিক আনুমানিক ধারণা গঠন করা হয়। পরবর্তীতে আনুমানিক ধারণার ওপর ভিত্তি করে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। সিদ্ধান্ত যাচাইকরণ হলো প্রকল্প প্রণয়নের সর্বশেষ কাজ। এ ধাপে কোনো প্রকল্প সম্পর্কে গৃহীত সিদ্ধান্ত বাস্তবতার নিরিখে যাচাই করা হয়। যদি সিদ্ধান্তটি বাস্তবতার সাথে মিলে যায়, তাহলে তা সঠিক বলে বিবেচিত হবে। আর যদি সেটি বাস্তবতা বর্জিত হয়, তাহলে তা ত্রুটিপূর্ণ বলে বাতিল হয় এবং নতুন প্রকল্প গঠন করে আবার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে হয়।উদ্দীপকে বর্ণিত ঘটনায় নাবিলার বড় বোন বিজলী নিরীক্ষণের ভিত্তিতে অর্থাৎ পুকুর পাড়ের ঝোপের কাছে নাবিলার ব্যবহৃত একটি খেলনা দেখে প্রাথমিক আনুমানিক ধারণা গঠন করে। এরপর সেই ধারণা বা সিদ্ধান্তটি যাচাই করার জন্য সে পুকুরে ডুবুরিদের দ্বারা নাবিলার খোঁজ করায়। এরপর পুকুরে নাবিলাকে মৃত অবস্থায় পাওয়া গেলে তার ধারণা বা প্রকল্প সত্য বলে বিবেচিত হয়। অর্থাৎ তার প্রকল্প বৈধতা পায়।পরিশেষে বলা যায়, প্রকল্পের বৈধতা চারটি ধাপের মাধ্যমে সম্পন্ন হয়। যার দৃষ্টান্ত উদ্দীপকে নাবিলার বড় বোন বিজলীর কর্মকাণ্ডে লক্ষ করা যায়।