মিলা ব্যতিরেকী পদ্ধতির কথা বলেছিল।
ব্যতিরেকী পদ্ধতি কার্যকারণ সম্পর্ক নির্ণয়ের একটি মৌলিক পদ্ধতি। ব্যতিরেকী শব্দের অর্থ হলো 'পার্থক্য'। অর্থাৎ, এ পদ্ধতিতে পার্থক্যের ভিত্তিতে কারণ নির্ণয় করা হয়। এ পদ্ধতিতে দুটি দৃষ্টান্ত থাকে। একটি সদর্থক ও অন্যটি নঞর্থক। সদর্থক দৃষ্টান্তে আলোচ্য ঘটনার উপস্থিতির সাথে অন্য একটি ঘটনার উপস্থিতি লক্ষ করা যায়। আর নঞর্থক দৃষ্টান্তে আলোচ্য ঘটনার অনুপস্থিতির সাথে ঐ ঘটনার অনুপস্থিতি লক্ষ করা যায়। এভাবে পার্থক্যের ভিত্তিতে এ পদ্ধতিতে কার্যকারণ সম্পর্ক নির্ণয় করা হয়।
উদ্দীপকে মিলা একটা পদ্ধতিকে বর্ণনা করতে গিয়ে বলে-
ক, খ, গ ত, থ, ন
খ, গ থ, ন
যেখানে 'ক' এর উপস্থিতিতে 'ত' উপস্থিত থাকে। আবার যখন 'ক' অনুপস্থিত তখন 'ত' অনুপস্থিত থাকে। সুতরাং 'ক' হলো 'ত' এর কারণ। এটা ব্যতিরেকী পদ্ধতির একটি দৃষ্টান্ত ।