উদ্দীপকে বাদশার বক্তব্যে প্রকল্পের যে অপরিহার্য বিষয়টি ফুটে উঠেছে তা হলো— প্রাসঙ্গিকতা ।
প্রকল্পের ক্ষেত্রে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো এর প্রাসঙ্গিকতা। আমরা কোনো ঘটনাকে সহজ-সরলভাবে ব্যাখ্যা করা এবং কার্যকারণ সম্পর্ক আবিষ্কার করার জন্য আমরা প্রকল্প প্রণয়ন করি। কাজেই যে ঘটনাকে ব্যাখ্যা করার জন্য আমরা প্রকল্প প্রণয়ন করি তাকে সেই ঘটনার প্রাসঙ্গিক হতে হবে। প্রাসঙ্গিক না হলে ঘটনাটিকে ব্যাখ্যা করা বা কারণ নির্ণয় করা অসম্ভব হয়ে পরবে। আর এক্ষেত্রে প্রকল্পটি একটি অবৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা বলে বিবেচিত হবে। যেমন- কোনো একটি নলের পাইপ ফেটে যাওয়ার কারণ হিসেবে যদি আমরা প্রকল্প করি যে, শনি দেবতার অসন্তুষ্টির কারণে পাইপ ফেটে গেছে তাহলে প্রকল্পটি গ্রহণযোগ্য হবে না। কারণ পানির পাইপ ফেটে যাওয়ার সাথে শনি দেবতার কোনো বাস্তব সম্পর্ক নেই। কিন্তু যদি প্রকল্প করা হতো পানির তাপ হিমাঙ্কের নিচে চলে যাওয়ায় পানি জমে বরফ হয়েছে। এর ফলে পানির আয়তন বৃদ্ধি পেয়ে পাইফ ফেটে গেছে। তাহলে প্রকল্পটি প্রাসঙ্গিক হতো। তাই প্রকল্পকে বৈধ হতে হলে অবশ্যই তাকে সংশ্লিষ্ট ঘটনার সাথে প্রাসঙ্গিক হতে হবে।
উদ্দীপকে বর্ণিত ঘটনায়, বাদশার বক্তব্যে প্রকল্পের প্রয়োজনীয় কিছু বিষয় বলতে প্রকল্পের প্রাসঙ্গিকতাকে বোঝানো হয়েছে।
পরিশেষে বলা যায়, প্রকল্পকে বৈধ হতে হলে তাকে অবশ্যই প্রাসঙ্গিক হতে হবে। অপ্রাসঙ্গিক বা অবাস্তব কোনো ঘটনা বা বিষয় দিয়ে ব্যাখ্যা প্রদান করলে তা অবৈধ প্রকল্প বলে বিবেচিত হবে।