কাশেমের বক্তব্য প্রকল্পের অন্যতম শর্ত বাস্তব কারণভিত্তিক নয়। কিন্তু তার স্ত্রীর বক্তব্য বাস্তব কারণভিত্তিক কোনো প্রকল্পকে বৈধ হতে হলে তাকে অবশ্যই বাস্তব কারণভিত্তিক হতে হবে। বাস্তবতা বর্জিত কোনো কারণকে প্রকল্প হিসেবে গ্রহণ করলে তা বৈধ হবে না। যেমন— একটি শিশু হারিয়ে গেলে কেউ যদি অনুমান করে যে শিশুটিকে ভূতে নিয়ে গেছে, তাহলে তার কল্পিত কারণটি বাস্তবতা বর্জিত হবে। কেননা ভূত বলে বাস্তবে আমরা কোনো জীবকে দেখি না ।
কিন্তু উপর্যুক্ত ঘটনার কারণ হিসেবে যদি বলা হয়, শিশুকে অপহরণ করা হয়েছে, তাহলে তা বাস্তব বৈধ কারণ হিসেবে গণ্য হবে।
উদ্দীপকে বর্ণিত ঘটনায়, কাশেম সকাল বেলা দোকানের শাটার খোলা ও জিনিসপত্র এলোমেলো দেখে ধারণা করে, কোনো দৈত্য এসে এসব কাজ করছে। তার এ বক্তব্য বাস্তবতাবর্জিত। কেননা, বাস্তবে আমরা কোনো দৈত্যের অস্তিত্ব প্রত্যক্ষ করি না। অন্যদিকে, তার স্ত্রী এমন ঘটনার জন্য পাশের দোকানের মালিককের শত্রুতাকে দায়ী করেন। যা বাস্তব ঘটনার সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ।
পরিশেষে বলা যায়, কোনো আনুমানিক ধারণাকে প্রকল্পের মর্যাদা লাভ করতে হলে কতকগুলো শর্ত পালন করতে হয়। যার মধ্যে প্রকল্পটি বাস্তবকারণভিত্তিক হওয়া অন্যতম। এ শর্তের ভিত্তিতে কাশেমের বক্তব্যটি বৈধ প্রকল্প নয় । অন্যদিকে, তার স্ত্রীর ধারণাটি বাস্তব কারণভিত্তিক হওয়ায় তা বৈধ প্রকল্পের মর্যাদা লাভ করেছে।