উদ্দীপকে রহিমার শ্বশুরের বক্তব্য বৈধ প্রকল্পের সাথে আত্মসঙ্গতিপূর্ণ না হলেও রহিমার স্বামীর গৃহীত পদক্ষেপ বৈধ প্রকল্পের বাস্তব ঘটনার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ।
আমরা জানি, কোনো প্রকল্পকে বৈধ হতে হলে তাকে আত্মসঙ্গতিপূর্ণ হতে হবে । কারণ বৈধ প্রকল্পকে আত্মবিরোধী হলে চলবে না । যেমন- উদ্দীপকে বর্ণিত ঘটনায়, রহিমার শ্বশুর জ্বর সারার উপায় হিসেবে আইসক্রিম খাওয়ার বিষয়টি উল্লেখ করে। বাস্তবে আইসক্রিম খেলে জ্বর সারে না, বরং বাড়ে। এ কারণেই রহিমার শ্বশুরের প্রকল্পটি আত্মবিরোধী। কিন্তু বৈধ প্রকল্প হিসেবে যেকোনো অনুমান বা ধারণাকে আত্মসঙ্গতিপূর্ণ হবে । বৈধ প্রকল্পের একটি অন্যতম শর্ত হলো, প্রকল্পকে অবশ্যই বাস্তব ঘটনাভিত্তিক হতে হবে। অর্থাৎ যে ঘটনার বাস্তব কারণ আছে এবং স্ববিরোধী নয় সে ঘটনাই বৈধ প্রকল্পের সাথে যুক্ত করা যায়। যেমন- উদ্দীপকে বর্ণিত ঘটনায় রহিমের জ্বর আসলে তার বাবা তাকে ডাক্তারের কাছে নিয়ে যায়। অর্থাৎ রহিমার স্বামীর কর্মকাণ্ড বাস্তব ঘটনার সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ। কারণ বাস্তবে কোনো ব্যক্তির জ্বর হলে ডাক্তারের পরামর্শ গ্রহণ করাই হবে যৌক্তিক আচরণ।
পরিশেষে বলা যায, একটি বৈধ প্রকল্প সর্বদাই সুনির্দিষ্ট হবে, আত্মসঙ্গতিপূর্ণ হবে এবং বাস্তব কারণ ভিত্তিক হবে। উদ্দীপকে বর্ণিত ঘটনায় রহিমার স্বামীর কর্মকাণ্ডে বৈধ প্রকল্পের শর্ত পরিলক্ষিত হলেও রহিমার শ্বশুরের কর্মকাণ্ডে তা পরিলক্ষিত হয় না ।