প্রকল্পের চারটি স্তর আছে। এ স্তরগুলো হলো- নিরীক্ষণ, আনুমানিক ধারণা, সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও যাচাইকরণ। প্রথমত, নিরীক্ষণ বলতে কোনো ঘটনাকে বিশেষভাবে পর্যবেক্ষণ করা বোঝায়। নিরীক্ষণের মাধ্যমেই আমরা কোনো ঘটনার সংস্পর্শে আসি এবং তার কারণ সম্বন্ধে চিন্তাভাবনা করি। এসময় একাধিক সম্ভাব্য কারণ আমাদের মনে দোলা দেয়। উদ্দীপকে উল্লিখিত বাস খাদে পড়ে যাওয়ার কারণ অনুসন্ধানে কর্তৃপক্ষ বাস ও স্থানটি পরিদর্শন করে। অর্থাৎ নিরীক্ষণের মাধ্যমে কর্তৃপক্ষ প্রথম ঘটনার সংস্পর্শে আসল। দ্বিতীয়ত, প্রকল্পের দ্বিতীয় স্তর হলো আনুমানিক ধারণা। নিরীক্ষিত ঘটনাটি ব্যাখ্যা দেওয়ার জন্য সম্ভাব্য একাধিক কারণের মধ্য থেকে যেকোনো একটি কারণকে ঘটনার কারণ বলে আন্দাজ করাই আনুমানিক ধারণা। এরপর কর্তৃপক্ষ দুর্ঘটনা বলে ধরে নিয়ে আনুমানিক ধারণা গঠন করল। তৃতীয়ত, প্রকল্পের তৃতীয় স্তর হলো সিদ্ধান্ত গ্রহণ। এ স্তরে আনুমানিক ধারণার ওপর ভিত্তি করে তদন্ত কমিটি পর্যাপ্ত সাক্ষ্যপ্রমাণ গ্রহণ করে। চতুর্থত, প্রকল্পের চতুর্থ স্তর 'হলো সিদ্ধান্ত যাচাইকরণ। এ স্তরে কোনো প্রকল্প সম্পর্কে গৃহীত সিদ্ধান্ত বাস্তবের সাথে যাচাই করা হয়। তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনে জানা যায়, ভারী বৃষ্টিপাতের ফলে রাস্তায় গর্ত হওয়ায় দুর্ঘটনার কারণ। এ প্রতিবেদনের মাধ্যমে সিদ্ধান্ত যাচাই করা হয়।
অতএব বলা যায়, উদ্দীপকে প্রকল্পের সব স্তর অনুসরণ করা হয়েছে।