প্রকল্পের চারটি স্তর আছে। এই স্তরগুলো হলো- নিরীক্ষণ, আনুমানিক ধারণা, সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও পরীক্ষামূলক সমর্থন। প্রথমত, নিরীক্ষণ বলতে কোনো ঘটনাকে বিশেষভাবে পর্যবেক্ষণ করা বোঝায়। নিরীক্ষণের মাধ্যমেই আমরা কোনো ঘটনার সংস্পর্শে আসি এবং তার কারণ সম্বন্ধে চিন্তাভাবনা করি। এ সময় একাধিক সম্ভাব্য কারণ আমাদের মনে দোলা দেয়। উদ্দীপকে উল্লিখিত কৃষি কর্মকর্তা লিচুর চারা গাছ মরে যাওয়ার কারণ অনুসন্ধানে বাগান পরিদর্শন করেন। অর্থাৎ নিরীক্ষণের মাধ্যমেই তিনি প্রথম ঘটনার সংস্পর্শে আসলেন। দ্বিতীয়ত, প্রকল্পের দ্বিতীয় স্তর হলো আনুমানিক ধারণা। নিরীক্ষিত ঘটনাটি ব্যাখ্যা দেওয়ার জন্য সম্ভাব্য একাধিক কারণের মধ্যে থেকে যেকোনো একটি কারণকে ঘটনার কারণ বলে আন্দাজ করাই আনুমানিক ধারণা। এরপর কৃষি কর্মকর্তা আনুমানিক ধারণা করলেন, অতিরিক্ত রাসায়নিক সার প্রয়োগের কারণে এমনটি হতে পারে। তৃতীয়ত, প্রকল্পের তৃতীয় স্তর হলো সিদ্ধান্ত গ্রহণ। আনুমানিক ধারণার ওপর ভিত্তি করে তিনি বাগানের মাটি গবেষাণাগারে পরীক্ষা করার সিদ্ধান্ত নিলেন। চতুর্থত, প্রকল্পের চতুর্থ স্তর হলো সিদ্ধান্ত যাচাইকরণ। এই স্তরে কোনো প্রকল্প সম্পর্কে গৃহীত সিদ্ধান্ত বাস্তবের সাথে যাচাই করা হয়। কৃষি কর্মকর্তার সিদ্ধান্ত গবেষণাগারে পরীক্ষার মাধ্যমে বাস্তবের সাথে যাচাই করা হয়।
অতএব বলা যায়, কৃষি কর্মকর্তার কার্যক্রমে প্রকল্পের সব স্তর অনুসরণ করা হয়েছে।