দৃশ্যপট-১ এ উল্লিখিত শব্দগুলো দিয়ে ব্যাখ্যার সীমাবদ্ধতার দিকটি প্রতিফলিত হয়েছে।আমরা জানি, একটি ঘটনাকে ব্যাখ্যা করার সময় সংশ্লিষ্ট ঘটনাটির সাথে অন্যান্য ঘটনার সাদৃশ্য নির্ণয় করা হয়। কিন্তু যেসব ঘটনার ব্যাখ্যাদানের সময় নির্দিষ্ট ঘটনাকে অন্য কোনো ঘটনার সাথে সংযুক্ত করা যায় না সেসব ঘটনার ব্যাখ্যা প্রদান করাও সম্ভব নয়। যেমন: চেতনার মৌলিক অবস্থা হিসেবে রূপ, রস, গন্ধ, শব্দ, স্পর্শ, তাপ, শৈত্য ইত্যাদিকে অন্য কোনো বিষয়ের সাথে যুক্ত করা যায় না। তাই এসব বিষয়ের ব্যাখ্যা করা যায় না। পাশাপাশি স্রষ্টা, আত্মা ইত্যাদি বিষয়কে অন্য কোনো বিষয়ের অন্তর্ভুক্ত করা যায় না বলে এদের ব্যাখ্যা দেওয়া যায় না। এছাড়াও আমাদের মানসিক অনুভূতি হিসেবে সুখ, দুঃখ, আনন্দ, বেদনা, প্রেম, বিরহ ইত্যাদির ব্যাখ্যা করা যায় না। কারণ এগুলোর একটিকে অন্যটির সাথে তুলনা করে বা সাদৃশ্য নির্ণয় করে যুক্ত করা যায় না।উদ্দীপকের দৃশ্যকল্প-১ এ উল্লেখিত গন্ধ, রাসেদ, কার্যকারণ নীতি, সৃষ্টিকর্তা এসব মৌলিক পদকে অন্য কোনো পদের সাথে যুক্ত করা যায় না। এ কারণে এসব বিষয়ের ব্যাখ্যা প্রদান করা সম্ভব নয়।পরিশেষে বলা যায়, কোনো বিষয়ের বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা প্রদান করার জন্য কতকগুলো নিয়ম অনুসরণ করতে হয়। কিন্তু এমন কতকগুলো বিষয় আছে যেগুলোর ক্ষেত্রে ঐ নিয়মগুলো অনুসরণ করে ব্যাখ্যা প্রদান করা অসম্ভব। তাই এসব ক্ষেত্রে বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যার সীমাবদ্ধতা লক্ষ করা যায়।