হ্যাঁ, আমি মনে করি দৃশ্যকল্প-২ এ প্রকল্পের সবগুলো স্তর পরিলক্ষিত হয়েছে। নিচে উত্তরের সপক্ষে যুক্তি দেওয়া হলো-প্রকল্পের চারটি স্তর রয়েছে। যার প্রথম স্তরটি হলো নিরীক্ষণ। নিরীক্ষণের সাহায্যে আমরা কোনো একটি ঘটনা সম্পর্কে জানবার জন্য ঘটনাটি প্রত্যক্ষ করা হয়। এরপর আসে আনুমানিক ধারণা। নিরীক্ষিত ঘটনাটি ব্যাখ্যা দেওয়ার জন্য মনে মনে একটি আনুমানিক ধারণা গঠন করা হয়। এর পরের স্তর হলো সিদ্ধান্ত গ্রহণ। আনুমানিক ধারণাটি সঠিক হয়েছে কিনা তা যাচাই করবার জন্য আমরা ধারণাটি থেকে একটি সিদ্ধান্ত অনুমান করি। পরিশেষে আসে পরীক্ষামূলক সমর্থন। অর্থাৎ অনুমিত সিদ্ধান্তটি যদি বাস্তবের সাথে মিলে যায়, তাহলে আনুমানিক ধারণাটি বা প্রকল্পটি সত্য বলে সমর্থিত হয়। আর যদি সিদ্ধান্তের সাথে বাস্তবের মিল না থাকে, তাহলে ঐ প্রকল্পটিকে বাতিল করে আর একটি নতুন প্রকল্প গ্রহণ করতে হবে।দৃশ্যকল্প-২ এ পিয়াসের গায়ে জ্বর দেখে তার মা বললেন, মনে হয় তোমার চিকনগুনিয়া হয়েছে। এই স্তরে নিরীক্ষণের পাশাপাশি আনুমানিক ধারণাও নেওয়া হয়েছে। এরপর ডাক্তার পিয়াসকে দেখে রক্ত পরীক্ষা করালেন ও রিপোর্ট দেখে বললেন ভয়ের কিছু নেই ওর ভাইরাস জ্বর হয়েছে। এ ঘটনার মাধ্যমে আনুমানিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার পাশাপাশি পরীক্ষামূলক সমর্থনের দিকটিও প্রকাশ পেয়েছে।তাই বলা যায়, দৃশ্যকল্প-২ এ প্রকল্পের সবগুলো স্তর পরিলক্ষিত হয়েছে।