হ্যাঁ, উদ্দীপকে প্রকল্পের সবগুলো স্তর পরিলক্ষিত হয়েছে।প্রকল্পের প্রথম স্তর হলো দেখা বা নিরীক্ষণ। একটি ঘটনাকে ব্যাখ্যা করার জন্য প্রাকৃতিক ঘটনাবলি প্রথমেই নিরীক্ষণ করতে হয়। অর্থাৎ নিরীক্ষণ থেকেই প্রকল্পের যাত্রা শুরু হয়। প্রকল্পের দ্বিতীয় স্তর হলো, প্রাথমিক আনুমানিক ধারণা গঠন। প্রাকৃতিক ঘটনার যথার্থ নিরীক্ষণের মাধ্যমে আমরা যেসব তথ্য পেয়ে থাকি তার মধ্যে প্রয়োজনীয় তথ্যের সন্নিবেশ ঘটিয়ে প্রাথমিক আনুমানিক ধারণা গঠন করতে হয়। উদ্দীপকে বর্ণিত ঘটনায়, অসুস্থ রাহিন সাহেবকে দেখে ডাক্তার প্রাথমিকভাবে ধারণা করেন যে, তার মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ হয়েছে। অর্থাৎ ডাক্তার সাহেব নিরীক্ষণের আলোকে প্রাথমিক পর্যায়ে আনুমানিক ধারণা করেন।প্রকল্পের তৃতীয় স্তর হলো, নির্বাচন বা সিদ্ধান্ত গ্রহণ। এই স্তরে আনুমানিক ধারণার ওপর ভিত্তি করে সিদ্ধান্ত গঠন করা হয়। প্রকল্পের চতুর্থ স্তর হলো- পরীক্ষণ বা সিদ্ধান্ত যাচাইকরণ। গৃহীত সিদ্ধান্ত সঠিক, না-কি ভ্রান্ত তা পরীক্ষা করাই হলো সিদ্ধান্তের যাচাইকরণ। উদ্দীপকের অসুস্থ রাহিন সাহেবের সমস্যা নির্ণয় করার জন্য ডাক্তার কতগুলো পরীক্ষা করতে বলেন। পরীক্ষার রিপোর্ট দেখে তিনি নিশ্চিত হন যে, রাহিন সাহেবের মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ হয়েছে। এভাবেই উদ্দীপকে প্রকল্পের প্রতিটি স্তরসমূহ নির্দেশ করা হয়েছে।প্রকল্পের স্তর হলো চারটি। কোনো ঘটনার প্রকল্প করতে হলে এই চারটি স্তর অনুসরণ করা হয়। যার দৃষ্টান্ত উদ্দীপকে লক্ষ করা যায়। তাই বলা যায়, উদ্দীপকে প্রকল্পের সবগুলো স্তর পরিলক্ষিত হয়েছে।