কার্যকারণ নির্ণয়ের ক্ষেত্রে উদ্দীপকে উল্লিখিত বিষয়টির গুরুত্ব বিশ্লেষণ কর।
উত্তর: উদ্দীপকে উল্লিখিত 'শৃঙ্খলযোজন' এর কার্য-কারণ নির্ণয়ের ক্ষেত্রে গুরুত্ব নিম্নে বিশ্লেষণ করা হলো- কার্য-কারণ নিয়ম অনুসারে প্রতিটি কার্যেরই একটি কারণ থাকে। কার্য ও কারণের মধ্যে সম্পর্ক হলো ঘটনার পূর্বাপর সম্পর্ক। অর্থাৎ কারণ পূর্ববর্তী ঘটনা আর কার্য হলো পরবর্তী ঘটনা। তবে একটি কার্যের পিছনে একাধিক কারণ থাকতে পারে। কোনোটি দূরবর্তী কারণ আবার কোনোটি নিকটবর্তী কারণ। অনেক সময় আমরা দূরবর্তী কারণকে কার্যের প্রকৃত কারণ মনে করে ভুল করে থাকি। মূলত 'কারণ' সেটাই যেটা সরাসরি কার্যকে উৎপন্ন করতে পারে। আর নিকটবর্তী ঘটনাই কার্যকে সরাসরি উৎপন্ন করতে পারে। কোন দূরবর্তী কারণ কার্যকে সরাসরি উৎপন্ন করতে পারে না। আর শৃঙ্খলযোজনে কোনো দূরবর্তী কারণ ও কার্যের মধ্যে একটা মধ্যবর্তী অবস্থা আবিষ্কার করা হয় এবং দেখানো হয় যে কার্যটি সরাসরি দূরবর্তী কারণ থেকে নয় বরং মধ্যবর্তী অবস্থা থেকে সৃষ্ট। শৃঙ্খলযোজনের এই মধ্যবর্তী অবস্থা, কার্য-কারণের 'কার্যের' নিকটবর্তী ঘটনাকে ইঙ্গিত করে যেটা সরাসরি কার্যকে উৎপন্ন করে এবং এটাই কার্যের প্রকৃত কারণ। সুতরাং বলা যায় যে, কার্য-কারণ নির্ণয়ের ক্ষেত্রে শৃঙ্খলযোজন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
HSC Logic 2nd Paper CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক
HSC · Logic 2nd Paper · সৃজনশীল
কার্যকারণ নির্ণয়ের ক্ষেত্রে উদ্দীপকে উল্লিখিত বিষয়টির গুরুত্ব বিশ্ল…
উদ্দীপক
Jessore · 2023
উত্তর
উত্তর
উত্তর
উত্তর