কার্যকারণ নির্ণয়ের ক্ষেত্রে উদ্দীপকে উল্লেখিত অন্তর্ভুক্তি বিষয়টির গুরুত্ব অপরিসীম। নিচে তা বিশ্লেষণ করা হলো-বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যার ক্ষেত্রে কার্যকারণ সম্পর্ক আবিষ্কারের মাধ্যমে কোনো একটি ঘটনাকে বিশ্লেষণ করা হয়। সে ক্ষেত্রে কার্যকারণ সম্পর্ক নির্ণয় করার অর্থই হলো বর্ণিত ঘটনা যেসব নিয়মের অধীন তা উল্লেখ করা অর্থাৎ, অন্তর্ভুক্তি করা। পাশাপাশি ঘটনাটি সংঘটনের কারণগুলো উল্লেখের মাধ্যমে সেগুলোর মধ্যে সম্বন্ধ স্থাপন করা। কাজেই এদিক থেকে বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যার যথার্থতা প্রতিপাদনে অন্তর্ভুক্তি রূপের ভূমিকা অপরিহার্য। এ পরিপ্রেক্ষিতেই যুক্তিবিদ কার্ডেথ রিড বলেছেন, 'বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা হলো ঘটনাবলির নিয়ম আবিষ্কার ও সংযুক্তকরণের মাধ্যমে ব্যাখ্যা।'আমরা জানি, প্রতিটি গ্রহ-উপগ্রহের নিজস্ব একটি আকর্ষণ শক্তি রয়েছে। সে শক্তির মাধ্যমে যেকোনে বস্তুকে তার কেন্দ্রের দিকে আকর্ষণ করে। গ্রহ-উপগ্রহে এই যে আকর্ষণ শক্তি তাই হচ্ছে মাধ্যাকর্ষণ শক্তি। এটি একটি বৃহৎ নিয়ম। এ নিয়মের আওতায় সমুদ্রের বা নদীর জোয়ার- ভাটার নিয়মকে ব্যাখ্যা করা হয়। কেননা মাধ্যাকর্ষণ নিয়মের ক্ষেত্রে যে ব্যাখ্যা প্রয়োগ করা হয় তা জোয়ার-ভাটার ক্ষেত্রেও একই নিয়মে প্রয়োগ করা যায়। এভাবে ঘটনায় কার্যকরণ নির্ণয়ের ক্ষেত্রে অন্তর্ভুক্তি বিষয়টির গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।উপরিউক্ত আলোচনা থেকে বলা যায়, বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যায় অন্তর্ভুক্তির গুরুত্ব অপরিসীম।