দৃশ্যকল্প-২ এ ব্যাখ্যার সীমাবদ্ধতার দিকটির ইঙ্গিত রয়েছে। বিশ্লেষণ করা হলো-অনন্য সাধারণ বিষয়সমূহের ব্যাখ্যাদান সম্ভব নয়। যেমন: ঈশ্বর, আত্মা ইত্যাদি বিষয়ের মধ্যে রয়েছে অনন্য সাধারণ বৈশিষ্ট্য, যেগুলোকে জানা বা অনুধাবন করার ক্ষমতা মানুষের নেই। এজন্য এসব বিষয়ের ব্যাখ্যা দান করা আমাদের পক্ষে সম্পূর্ণরূপে অসম্ভব ব্যাপার। তেমনি কার্যকারণ নিয়ম হচ্ছে সর্বোচ্চ নিয়ম, যাদেরকে অন্তর্ভুক্ত করার মতো আর কোনো ব্যাপকতর নিয়ম নেই এবং এ নিয়মকে অন্য কোনো নিয়মে পরিবর্তন করা যায় না। এ জন্য এর ব্যাখ্যা করা সম্ভব হয় না। চেতনার মৌলিক অবস্থার ব্যাখ্যা দেওয়া যায় না। যেমন: রূপ, রস, গন্ধ, স্পর্শ, শব্দ ইত্যাদি মৌলিক চেতনা বা সংবেদনগুলোর একটির সাথে অন্যটির কোনোরূপ সাদৃশ্য না থাকায় এগুলোকে পরস্পরের সাথে সংযুক্ত করা যায় না। আর এ কারণেই চেতনার এই মৌলিক অবস্থাগুলোর ব্যাখ্যা দেওয়া সম্ভব হয় না।জড় বস্তুর মুখ্য গুণগুলোকে ব্যাখ্যার আওতায় আনা সম্ভব হয় না। যেমন- ওজন, গতি, বিস্তৃতি, আকৃতি ইত্যাদি হচ্ছে জড় বস্তুর মুখ্যগুণ, যেগুলোর প্রতিটি পরস্পর থেকে সম্পূর্ণ পৃথক ও স্বতন্ত্র। অর্থাৎ এগুলোর একটি অন্যটির মত নয়। এজন্য এদের মধ্যে কোনোরূপ সংযোগ স্থাপন করা যায় না। ফলে এদের ব্যাখ্যাও করা যায় না।