দৃশ্যপট-১-এ দাগযুক্ত শব্দগুলো হলো- গন্ধ, চৈতালী, শব্দ, দুঃখ- এগুলো ব্যাখ্যার সীমাবদ্ধতা নির্দেশ করে।ব্যাখ্যা করা হলো-বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা কার্যকারণ নিয়মনির্ভর যথার্থ ব্যাখ্যা। এই ব্যাখ্যা । প্রদানের সময় সংশ্লিষ্ট ঘটনাটির সাথে অন্য ঘটনার সাদৃশ্য নির্ণয় করে ব্যাখ্যা প্রদান করা হয়। কিন্তু এমন অনেক ঘটনা আছে যেগুলোকে অন্য ঘটনার সাথে সাদৃশ্য নির্ণয় করে সংযুক্ত করা যায় না। যেসব ক্ষেত্রে এরূপ সাদৃশ্য নির্ণয় করে সংযুক্ত করা সম্ভব হয় না তাকে ব্যাখ্যার সীমাবদ্ধতা বলে। উদ্দীপকে গন্ধ শব্দটির ব্যাখ্যা দেওয়া যায় না। কারণ ব্যাখ্যার রীমাবদ্ধতার নিয়ম অনুযায়ী চেতনার মৌলিক অবস্থাবলির ব্যাখ্যা দেওয়া যায় না। গন্ধ শব্দটিও চেতনার মৌলিক অবস্থা। এটি হচ্ছে একক ও অনন্য। এ অবস্থাগুলো এরকম যে, এদের একটির সাথে অন্যটির কোনোরকম সাদৃশ্য নেই। তাই এদের একটির সাথে অন্যটির সংযুক্ত করা যায় না বা কোনোটিকে কোনোটির সাথে অন্তর্ভুক্ত করা যায় না। এজন্য চেতনায় মৌলিক অবস্থাবলির ব্যাখ্যা দেওয়া যায় না। চৈতালী শব্দটি ব্যাখ্যার সীমাবদ্ধতার অন্তর্ভুক্ত। ব্যাখ্যার সীমাবদ্ধতার নিয়ম অনুযায়ী বিশিষ্ট ব্যক্তি বা বস্তুসমূহের ব্যাখ্যা দেওয়া যায় না। তাই বলা যায় উদ্দীপকের শব্দগুলোর মৌলিক অবস্থাবলির ব্যাখ্যা দেওয়া যায় না।